

মানবদেহে রোগগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম প্রধান সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর । এ কারণে আমাদের দেশে অনেকেই এই রোগে আক্রান্ত হন। কিডনি নষ্ট হয়ে যায় কারণে ডায়ালিসিস নিতে গিয়ে অনেকে মারাও যান। কিন্তু আমরা যদি একটু সচেতন হই তাহলেই আমরা খুব সহজেই এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে পারি। অনেক কারণেই কিডনিতে পাথর হতে পারে।
এবার আসুন আগে জেনে নিই কিডনির পাথর কি
সারাদিনে যে জল খাই সেই জল পরিস্রুত করাই কিডনির প্রধান কাজ। আর অতিরিক্ত জলের বজ্র পদার্থ পরে প্রস্রাবের মাধ্যমে আমাদের শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। জলে থাকে অতিরিক্ত খনিজ লবণ। লবনের সঙ্গে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ মিশে একধরনের কঠিন পদার্থের জন্ম হয় যাকে আমরা সহজ ভাষায় কিডনির পাথর বলে থাকি। এই পাথরের আকার ছোট লবণের কনার মতো হয়, আবার কখনো কখনো বড়ো বড়ো আকারের হতে পারে। এই পাথর হওয়ার কারণে পেটে প্রচন্ড ব্যথা হয়। তবে এই পাথরের উপস্থিতি আমরা সহজে বুঝতে পারি না। যখন এটি আমাদের মূত্রনালির গায়ে ধাক্কা দেয় তখন আমাদের মূত্রনালী সঙ্কীর্ণ হয়ে যায় এবং ব্যথা পেটে ব্যথার সৃষ্টি হয়।
আসুন জেনে নিই কিডনিতে পাথর হওয়ার লক্ষণ ও উপসর্গ
মূত্রনালীতে পাথর না পৌঁছানো পর্যন্ত কিডনিতে পাথর হওয়ার কোন লক্ষণ ও উপসর্গ সাধারণত বোঝা যায় না। পেটে কোন ব্যথা ও অনুভব হয় না তবে নিচের কারণগুলি দেখাদিলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
১. পাঁজরের নিচে ও পিঠের দুই পাশে ব্যথা হওয়া ও ক্রমান্বয়ে তা তলপেট এবং কুঁচকি পর্যন্ত ছড়িয়ে পরা।
২. প্রস্রাব করার সময় ব্যথা হওয়া। প্রস্রাব হলুদ, লাল অথবা বাদামী রঙের হয়ে যাওয়া।
৩. বারবার প্রস্রাবের বেগ পাওয়া।
৪. প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত পড়া।
৫. কিডনিতে সংক্রমণ থাকলে কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা বমি বমি ভাব হওয়া।
কিডনিতে পাথর হবার সম্ভাবনা কাদের বেশি?
যাদের কিডনিতে পাথর হবার সম্ভাবনা বেশি তারা হলেন-
১.পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কারো যদি কিডনিতে পাথর হয় কিংবা আগে একবার কিডনিতে পাথর হয়েছে এমন ব্যক্তিদের।
২.চল্লিশ বা চল্লিশোর্ধ বয়সী ব্যক্তিদের।
৩. প্রয়োজনের তুলনায় জল কম খায় এমন ব্যক্তিদের।
৪. যারা মাত্রাতিরিক্ত রিচ খাবার বা ফাস্টফুড খান তাদের।
৫. খাবারে যারা অতিরিক্ত খাবার লবন (সোডিয়াম সল্ট/টেবিল সল্ট) খান।
৬. খবরে যারা অতিরিক্ত চিনি খান।
৭. যাদের আগে থেকেই কিডনির সমস্যা আছে যেমন: মূত্রতন্ত্রের সংক্রমণ, ইত্যাদি
জানুন কিডনির সমস্যা থেকে প্রতিকারের উপায়
কিডনিতে পাথর হলেই যে অপারেশন করতে হবে এমন কোন কথা নেই। প্রথম অবস্থায় ধরা পড়লে অপারেশন নাও করতে হতে পারে। তখন অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। এছাড়া প্রতিদিন ৬ থেকে ৭ লিটার জল খান । এই জল খেলে শরীর থেকে প্রস্রাবের মাধ্যমে কিডনির পাথর বেরিয়ে যাবে। ছোট আকৃতির পাথর হলে তা প্রস্রাবের সাথেই বেরিয়ে যাবে। ।
সাধারণত কিছু ডায়েট চাট গুলি মেন্টেন করলে আমরা কিডনির সমস্যা থেকে মুক্ত হতে পারি সেগুলি হল..
সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমান জল খেতে হবে।
বেশী অক্সালেটযুক্ত খাবার যেমন-পালংশাক, বীট, মিষ্টি আলু, চা, চকোলেট জাতীয় খাবার খাওয়া বাদ দিতে হবে।
খাবারে লবণ কম ব্যবহার করতে হবে।
বেশি পরিমাণে মাছ, মাংস খাওয়া বা রিচ খাওয়া কমিয়ে ফেলতে হবে।
ক্যালসিয়ামযুক্ত খাবার খেতে হবে।
সবসময় মনে রাখতে হবে প্রস্রাবে জল, লবন ও খনিজ পদার্থের সঠিক ভারসাম্য বজায় না থাকলে কিডনিতে পাথর হতে পারে। তাই সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে।

ডলারের বিকল্প পথে কি BRICS? ডিজিটাল মুদ্রা সংযোগের প্রস্তাব দিল RBI

প্রোটোকল ভেঙে ‘বিশেষ বন্ধুত্বের’ বার্তা: বিমানবন্দরে ইউএই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে নিজে হাজির মোদি

“শারীরিক মিলনের আগে এই ৩ ভুল একেবারেই নয়”

আর্মেনিয়ার পথে ভারতের পিনাকা, প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে নতুন মাইলফক

কাঁচরাপাড়া দিনবসু লেনের মুখে গভীর রাতে বাইক দুর্ঘটনা, গুরুতর জখম যুবক

মাসিক হওয়ার কতদিন পর সহবাস করলে বাচ্চা হতে পারে?

ছয় দশক পরে বড় কৌশলগত সাফল্য! পূর্ব লাদাখে হারানো জমিতে ফের টহলাধিকার পেল ভারত

Ajit Doval: ‘আমাদের মন্দির লুট হয়েছিল, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিশোধ নিতে হবে’—বার্তা ডোভালের

তেহরানের রাস্তায় লাখো মানুষের ঢল, বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ইন্টারনেট

যুদ্ধের সংজ্ঞা বদলাচ্ছে: মাল্টি-ডোমেইন অপারেশনের পথে ভারতীয় সেনার স্পেশাল ফোর্স