Subroto Roy: প্রয়াত সাহারা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সুব্রত রায়! দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন মারণরোগে

বাংলাহান্ট ডেক্সঃ প্রয়াত সাহারা ইন্ডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সুব্রত রায় (Subroto Roy) । মঙ্গলবার রাতে মুম্বইয়ের কোকিলাবেন অম্বানি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৷ দীর্ঘদিন ধরে তিনি ক্যানসার-সহ একাধিক রোগে ভুগছিলেন ৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল 75 বছর ৷ সাহারা গ্রুপের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রবিবার সুব্রত রায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কোকিলাবেন ধীরুবাই অম্বানি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ৷ এরপর, মঙ্গলবার 10.30 টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয় ৷ এর সঙ্গে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাও ছিল ৷

চাঁদের কক্ষপথে চন্দ্রযান-৩, গন্তব্যে পৌঁছাতে আর ক’টি ধাপ বাকি

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ শনিবার সন্ধ্যায় চাঁদের কক্ষপথে সফলভাবে পৌঁছে যায় চন্দ্রযান-৩। ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তরফে বিবৃতি জারি করে এই খবর জানানো হয়। মহাকাশযানটি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণের টান আগেই কাটিয়ে ফেলেছিল। উৎক্ষেপণের ২২ দিন পর চাঁদের আকর্ষণবলের অধীনে প্রবেশ করেছে সেটি। তবে মূল গন্তব্যে পৌঁছতে এখনও অনেকটা ‘পথ’ পেরোনো বাকি। চাঁদের মাটি ছোঁয়ার আগে বেশ কয়েকটি কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে চন্দ্রযান-৩-কে।

শনিবার চন্দ্রযান-৩-কে চাঁদের কক্ষপথে সফল ভাবে পৌঁছে দেওয়ার পর ইসরোর তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়। সেখানেই বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৭.১২ মিনিটে মহাকাশযানটিকে চাঁদের কক্ষপথে ঢুকিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। মোট ১৮৩৫ সেকেন্ডের চেষ্টায় তা সফল ভাবে করা গিয়েছে। চাঁদের আকর্ষণবলের আওতায় বর্তমানে চন্দ্রযান-৩-এর অবস্থান ১৬৪ কিমি X ১৮০৭৪ কিমি কক্ষপথে। চাঁদের মাটিতে প্রথম পা রেখেছিলেন আমেরিকার মহাকাশচারী নীল আর্মস্ট্রং। ঘটনাচক্রে, শনিবারই ছিল তাঁর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী।

চাঁদের আকর্ষণবলের সাহায্যে এ বার তার চারপাশে পাক খাবে চন্দ্রযান-৩। ধীরে ধীরে তার গতি কমবে। চাঁদের মাধ্যাকর্ষণের শক্তি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণের চেয়ে ছয় গুণ কম। সেই কারণেই ধীরে ধীরে গতি কমাতে হবে চন্দ্রযান-৩-কেও।

পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণের অধীনে যত দিন চন্দ্রযান-৩ ছিল, তত দিন ধাপে ধাপে তার কক্ষপথ এবং গতি বৃদ্ধি করা হচ্ছিল। পাঁচটি ধাপের কক্ষপথ পেরিয়ে পৃথিবীর টান ছাড়িয়েছে মহাকাশযান। কিন্তু চাঁদের ‘দেশে’ প্রক্রিয়াটি কিছুটা উল্টো। এ বার এক দিকে যেমন গতি কমবে, অন্য দিকে তেমন ধাপে ধাপে বৃহত্তর থেকে ক্ষুদ্রতর কক্ষপথে পৌঁছবে চন্দ্রযান-৩। এ ক্ষেত্রেও ইসরোর পরিকল্পনায় পাঁচটি কক্ষপথ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া রয়েছে।

চন্দ্রযান-৩-এর প্রাথমিক গন্তব্য চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে। তার পরেই চন্দ্রাভিযানের ‘সবচেয়ে কঠিন পর্ব’টি অপেক্ষা করে আছে ইসরোর জন্য। সেটাই হতে চলেছে কঠিনতম পরীক্ষা। আগামী ২৩ অগস্ট বিকেল ৫টা ৪৭ মিনিটে রোভার প্রজ্ঞানকে পেটের ভিতরে নিয়ে ‘পাখির পালকের মতো অবতরণ’ (সফট ল্যান্ডিং) করার কথা চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডার বিক্রমের। চার বছর আগে ঠিক ওই পর্যায়ে এসে ব্যর্থ হয়েছিল ইসরোর ‘চন্দ্রযান-২’।

চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে নামার কথা চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডার বিক্রমের। সেই অভিযান যদি সফল হয়, তবে ভারতের মহাকাশ গবেষণা নিঃসন্দেহে নতুন মাত্রা পাবে। আমেরিকা, রাশিয়া, চিনের পরে চতুর্থ দেশ হিসাবে মহাকাশযান সফল ভাবে চাঁদে অবতরণ করানোর তালিকায় উঠে আসবে ভারত।

গত ১৪ জুলাই দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারের ‘লঞ্চিং প্যাড’ থেকে সফল উৎক্ষেপণ হয়েছিল ‘চন্দ্রযান-৩’-এর। এখনও পর্যন্ত মোট যাত্রাপথের দুই তৃতীয়াংশ অতিক্রম করেছে সে। কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করে আছে বাকি পথটুকুতেই। ইসরোর চন্দ্রযান কি তৃতীয় বারের এই অভিযানে সাফল্যের স্বাদ পাবে? সে দিকেই নজর রেখেছে গোটা দুনিয়া।

উত্তরপ্রদেশে কিশোরীকে ধর্ষণ করে খুন! ঝুলিয়ে দেওয়া হলো দেহ

এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ উঠেছে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শুধু ধর্ষণ এবং খুনই নয়, কিশোরীর দেহ ঝুলিয়েও দেন অভিযুক্ত। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ে।

পুলিশ সূত্রে খবর, লখনউয়ের ইন্দিরানগরের বাসিন্দা ওই কিশোরী। বুধবার দুপুরে বাড়িতে একাই ছিল সে। অভিযোগ, সেই সুযোগ নিয়ে এক ব্যক্তি কিশোরীর বাড়িতে ঢোকেন। তাকে ধর্ষণের পর প্রমাণ লোপাটের জন্য হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করেন। তার পর ঘরের মধ্যেই কিশোরীর দেহ ঝুলিয়ে দেন।

আরো পড়ুন- রাজ্যে কবে আসছে বর্ষা? কি বলছে হাওয়া অফিস, জানুন

পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরীর বাবা শাহিদ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার পর থেকেই পলাতক শাহিদ। পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চলছে। খুব শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে। এই ঘটনার পর থেকে ইন্দিরানগরে একটা চাপা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়েরা।

আরও একটি ঘটনায় এক কিশোরীকে গণধর্ষণের পর খুনের অভিযোগ উঠেছে উত্তরপ্রদেশেই। রাজ্যের বস্তি জেলায় কিশোরীকে গণধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ ওঠে এক বিজেপি নেতা, নাবালক-সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে। ৩ জনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

উড়ালপুল থেকে সোজা নীচে, ১২টি বিরল কৃষ্ণসার হরিণের মৃত্যু মহারাষ্ট্রে

উড়ালপুল থেকে নীচে পড়ে ১২টি বিরল কৃষ্ণসার হরিণের মৃত্যু হল মহারাষ্ট্রে। শনিবার কেগাঁও-দেগাঁও বাইপাসে ঘটেছে এই ঘটনা। বন দফতর সূত্রে খবর, একই সঙ্গে আরও তিনটি কৃষ্ণসার হরিণ আহত হয়েছে। নতুন তৈরি বাইপাস আগে ছিল কৃষ্ণসার হরিণের চারণভূমি। এর আগেও একই জায়গায় একই ভাবে মৃত্যু হয়েছিল একটি হরিণের।

পাহাড়ের ঢাল কেটে তৈরি হয়েছে বাইপাসের রাস্তাটি। যে এলাকা এক সময় ছিল কৃষ্ণসার হরিণের চারণভূমি। কিন্তু চার মাসে আগে এই বাইপাস খোলার পর থেকেই তা অতীতের পাতায় ঠাঁই পেয়েছে।

মহারাষ্ট্রের বনকর্তা ধৈর্যশীল পাটিল জানিয়েছেন, এই এলাকায় আগেও এমন ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ‘‘কয়েক মাস আগে একটি কৃষ্ণসার একই ভাবে নীচে পড়ে মারা যায়। এই রাস্তাটি তৈরি হয়েছে পাহাড় কেটে। শনিবার সন্ধ্যায় একদল কৃষ্ণসার হরিণ ওই পথ দিয়ে আসছিল। কিন্তু তাদের জানা ছিল না সমতল ভূমি শেষ খানিক পরেই। বুঝতে না পেরেই হরিণের পাল উপর থেকে একেবারে নীচে আছড়ে পড়ে মারা যায়। আমরা আহত হরিণগুলির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।’’

তিনি আরও জানিয়েছে, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে এই রাস্তার দু’ধারে তারের বেড়া দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। যাতে ভবিষ্যতে এ ভাবে দুর্ঘটনা আটকানো যায়। বনকর্তা বলেন, ‘‘শুধু সোলাপুর-বিজাপুর হাইওয়েই নয় সোলাপুর-পুণে এবং সোলাপুর-কোলহাপুর হাইওয়ে বরাবরও তারের জাল দেওয়ার কথা চলছে। তাহলে হরিণ আটকানো সহজ হবে।’’

তাওয়াংয়ে কেন রয়েছে চিনের লোলুপ দৃষ্টি, ওই এলাকার স্ট্র্যাটেজিক গুরুত্ব কি? জেনে নিন

বাংলাহান্ট ডিজিটালঃ তাওয়াং ও চাম্বা উপত্যকা ভারতীয় সেনার জন্য কৌশলগত দিক থেকে বেশ প্রাসঙ্গিক। কারণ তাওয়াং থেকে ভূটান সীমান্তে নজরদারি চালায় ভারত আর চাম্বা থেকে নেপাল তিব্বত সীমান্তে নজরদারি চালায় ভারত।

৯ ডিসেম্বর অরুণাচল প্রদেশের প্রদেশের তাওয়াংয়ের ইয়াংৎস এলাকায় চিনা আগ্রাসনের পর সেদেশের সেনা মোক্ষম জবাব পেয়েছে ভারতের তরফে। চিনা সেনার দাবি ছিল, ইয়াংৎসের ভারতীয় সেনা ছাউনি সরিয়ে দিতে হবে। আর তার জন্য ৩০০ চিনা সেনা নিয়ে তারা অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত দিয়ে আক্রমণ করে। প্রশ্ন উঠতেই পারে এই তাওয়াং এলাকার স্ট্র্যাটেজিক গুরুত্ব ঘিরে। কেন ওই জায়গাকেই সংঘর্ষের ময়দান হিসাবে চিন বেছে নিল? কেনইবা ওই এলাকায় ভারতীয় ছাউনি ঘিরে শঙ্কা রয়েছে চিনের? দেখে নেওয়া যাক কিছু তথ্য।

তাওয়াং

আরো পড়ুন- চিনা দূতাবাস থেকে কোটি কোটি টাকা অনুদান নিয়েছে কংগ্রেস, পাল্টা আক্রমন অমিত শাহের

১৯৬২ সালের যুদ্ধে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং সংলগ্ন এলাকার একটা বড় অংশ দখলে রেখেছিল চিন। ১৭ হাজার ফুট ওপরের অরুণাচল প্রদেশের এই তাওয়াংয়ের সেই দখল করা অংশ পরে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় চিন। কারণ সেই অংশগুলি ম্যাকমোহন লাইনের মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। সেই অংশে ফের থাবা কষাচ্ছে চিন। এই এলাকা দখলে রাখলে চিন বেশ কিছু সুবিধা পেতে পারে।

চিন চাইছে তাওয়াং পোস্ট দখল করতে। তাহলে তারা তিব্বত ও এলএসি দুটি দিকেই নজরদারি রাখতে পারবে। এছাড়াও দালাই লামার সঙ্গে তাওয়াংয়ের যোগ রয়েছে। ১৯৫৯ সালে চিনের দখলে থাকা তিব্বত থেকে পালিয়ে এসে অরুণাচল প্রদেশে প্রথমে আশ্রয় নেন দালাই লামা। সেই সূত্র ধরে এই এলাকার সঙ্গে চিন সম্পর্কে ক্ষুব্ধ দালাই লামার যোগ রয়েছে।

তাওয়াং ও চাম্বা উপত্যকা ভারতীয় সেনার জন্য কৌশলগত দিক থেকে বেশ প্রাসঙ্গিক। কারণ তাওয়াং থেকে ভূটান সীমান্তে নজরদারি চালায় ভারত, আর চাম্বা থেকে নেপাল তিব্বত সীমান্তে নজরদারি চালায় ভারত। এদিকে, চিন দাবি করে অরুণাচলের একটা বড় অংশ তাদের। সেই জায়গা থেকে দুটি বিশেষ সেনা পোস্ট দখল করতে চায় চিন। যা পেলে অরুণাচলে নিজের দাবি জোরদার করার বার্তা দিতে আগ্রাসী বেজিং।

Bollywood Death: দোল খেলে বাড়ি ফেরার পরেই অঘটন! পাঁচতলা থেকে পড়ে বলিউড পরিচালকের ছেলের মৃত্যু

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ দোল খেলে বাড়ি ফেরার পরেই অঘটন! আচমকাই পাঁচতলা থেকে পড়ে মারা যান বলিউড নির্মাতা ও অভিনেতা গিরিশ মালিকের ছেলে মান্নান (১৭) । ওই ভবনেই বসবাস করেন এ বলিউড পরিচালক। শোকের ছায়া বলিউডে।

আরো পড়ুন- Shootout in Tiljala: হোলির দিন তিলজলায় গুলিবিদ্ধ যুবক, আক্রান্ত বাবা

হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে হোলি খেলতে বেরিয়েছিলেন মান্নান। সময়মতোই বাড়ি ফিরেও আসেন। তারপর ওই ভবনের ছাদ থেকে পড়ে যান তিনি। গুরুতর আহত মন্ননকে তড়িঘড়ি কোকিলাবেন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

মন্ননের বাবা গিরিশ বলিউডের পরিচালক এবং অভিনেতা। ‘তিরঙ্গা’, ‘শোলা অউর শবনম’-এর মতো একাধিক ছবিতে তিনি অভিনয় করেছেন। ২০২০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘তোরবাজ’-এর পরিচালক গিরিশ। ছবির মুখ্য চরিত্রে ছিলেন সঞ্জয় দত্ত। পরিচালকের স্বজনবিয়োগে শোকস্তব্ধ অভিনেতা। ‘তোরবাজ’-এর প্রযোজক রাহুল মিত্রের কথায়, “এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাটি জেনে আমি বিস্মিত। সঞ্জয়কে (দত্ত) জানিয়েছি। ও গভীর ভাবে শোকাহত। ‘তোরবাজ’-এর শ্যুটে গিরিশের সঙ্গে আসত ও। খুবই প্রতিভাশালী ছেলে ছিল।”

২০২৪ বিজেপিকে রুখতে তৃনমূল এবং APP -এর নেতৃত্বেই লড়তে হবে কংগ্রেসকে, ‘স্বীকারোক্তি’ চিদাম্বরমের

নিউজ ডেক্সঃ ২০২৪ বিজেপিকে রুখতে তৃনমূল এবং APP -এর নেতৃত্বেই লড়তে হবে কংগ্রেসকে! কার্যত স্বীকার করে নিলেন কংগ্রেসের বর্ষিয়ান নেতা পি চিদাম্বরম। এই মুহূর্তে দলের যা পরিস্থিতি তাতে কংগ্রেসকে আপস করতেই হবে। বিজেপিকে রুখতে বাংলায় তৃণমূল এবং পাঞ্জাবে আম আদমি পার্টির মতো দলগুলির নেতৃত্ব মেনে নিতে হবে কংগ্রেসকে।

আরো পড়ুন- রং খেলে ত্বক আর চুলের একেবারে দফারফা? জেনে নিন টিপস

চিদম্বরমের বক্তব্য, কংগ্রেস ২০২৪ লোকসভার (2024 Lok Sabha Election) লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। তবে, বিজেপিকে হারাতে কংগ্রেসকে আপস করতে হবে। শুধু কংগ্রেসকে নয়, সব দলকেই আপস করতে হবে। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলছেন, “কংগ্রেসের মতো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও (Arvind Kejriwal) আপস করতে হবে। লড়াইটা হবে রাজ্য ধরে ধরে। বাংলায় আমাদের লড়তে হবে তৃণমূলের নেতৃত্বে। পাঞ্জাবে আমাদের লড়তে হবে আম আদমি পার্টির নেতৃত্বে। বিজেপির বিরুদ্ধে রাজ্য ধরে ধরে লড়াই করলেই তাঁদের হারানো সম্ভব।”

আরো পড়ুন- কাশ্মীরি পণ্ডিতরা ফিরতে চাইলে বাড়ি ফাঁকা করে দেওয়া হবে! ঘোষণা সিআরপিএফের

কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ G-23 গোষ্ঠী এখনও রীতিমতো বিদ্রোহী। মাত্র একদিনের ব্যবধানে দু’ বার বৈঠক করে ফেলেছেন বিদ্রোহীরা। দলের হাইকম্যান্ড সংস্কৃতি তথা গান্ধীদের নেতৃত্ব নিয়ে যে তাঁদের তীব্র আপত্তি রয়েছে, সেটা গত দুদিনে স্পষ্টও করে দিয়েছেন জি-২৩ নেতারা। তাঁদের সাফ বক্তব্য, দলের এই হালের দায়বদ্ধতা কেউ এড়িয়ে যেতে পারে না। চিদম্বরম এই বিক্ষুব্ধদের তালিকায় না থাকলেও দায়বদ্ধতার কথা বলছেন তিনিও। বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতার বক্তব্য, “কেউ দায়বদ্ধতা এড়িয়ে যাচ্ছে না। হারের দায় গান্ধীরা স্বীকার করেছেন। একই সঙ্গে আমাদেরও স্বীকার করতে হবে। এই হারের জন্য আমরাও দায়ী। গোয়ায় হারের জন্য আমিও দায়ী।”

আরো পড়ুন- Russia Ukraine War: যুদ্ধ আবহে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি, সুপারিশ ইউরোপের

চিদম্বরম স্বীকার করে নিয়েছেন, দলের সাংগঠনিক অবস্থা সঙ্গীন এবং এখন প্রয়োজন পুরোপুরি নতুন করে দলকে গড়ে তোলা। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলেন, “বহু জায়গায় কংগ্রেসের কোনও সংগঠনই নেই। গোয়ায় গিয়ে আমি দেখেছি শুধু খাতায়-কলমে ব্লক কমিটি ছিল। সব ভেঙে নতুন করে সংগঠন গড়তে হয়েছে। কপিল সিব্বল (Kapil Sibbal), গুলাম নবি আজাদও এই সাংগঠনিক দুর্বলতার কথাই বলছেন। আমিও সাংগঠনিক দুর্বলতার কথাই বলছি। বিক্ষুব্ধদের বলব, দল ভেঙে দেবেন না। নিজের নিজের এলাকায় ফিরে গিয়ে সংগঠন গড়ে তোলার চেষ্টা করুন।”

কাশ্মীরি পণ্ডিতরা ফিরতে চাইলে বাড়ি ফাঁকা করে দেওয়া হবে! ঘোষণা সিআরপিএফের

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ অভিশপ্ত ৩০ বছর কেটে গেছে কিন্তু আজও নিজে ভূমে পরবাসী হয়ে হাজার হাজার কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঘরে ফেরা হয়নি। এর আগে প্রায় তিন দশক সরকার চালিয়েছে কংগ্রেস। তারপর বিজেপিও প্রায় সমান সমান ক্ষমতায় থেকে গিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো সরকারই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পুনর্বাসনের জন্য উপযুক্ত পদক্ষেপ নেয়নি। যার ফলস্বরূপ আজও উপত্যাকায় বসবাস করছেন প্রায় হাজার তিনেক কাশ্মীরি পন্ডিত। বিতাড়িত সেই হাজার তিনেক পণ্ডিতের ঘর বাড়ি, সম্পত্তি আজও পরিতক্ত। কিন্তু এবার সেই কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঘরে ফেরাতে উদ্যোগে হলো সিআরপিএফ। সিআরপিএফের বড় ঘোষণা, ‘কাশ্মীরি পণ্ডিতরা ফিরতে চাইলে বাড়ি ফাঁকা করে দেওয়া হবে’।

আরো পড়ুন- Russia Ukraine War: যুদ্ধ আবহে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি, সুপারিশ ইউরোপের

সিআরপিএফের ডিজি কুলদীপ সিং (CRPF DG Kuldeep Singh) জানিয়েছেন যে, বর্তমানে কাশ্মীরের উপত্যকা অনেক শান্ত। সুতরাং এই পরিস্থিতিতে কাশ্মীরের পণ্ডিত পরিবারেরা যদি চান তাহলে তাঁরা ফিরতেই পারেন। সেইসঙ্গে তিনি জানান, এই বিষয়ে শেষ সিদ্ধান্ত তাঁদেরকেই নিতে হবে। কুলদীপ সিং জানান, কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ছেড়ে যাওয়া যে সকল বাড়িতে সিআরপিএফের জওয়ানরা রয়েছেন সেই সকল বাড়ি প্রয়োজনে ফাঁকা করে দেওয়া হবে। বাড়ির বৈধ মালিকরা বাড়ির অধিকার ফায়ার পেতে চাইলেই বাড়ি ফাঁকা করে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

আদতে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ছেড়ে যাওয়া বেশ কিছু বাড়ি বর্তমানে আধাসেনার দখলে। হাজার হাজার সেনার থাকার বন্দোবস্ত হিসাবে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পরিত্যক্ত বাড়িগুলোকেই বেছে নিয়েছে সিআরপিএফ (CRPF) । প্রসঙ্গত, বিবেক অগ্নিহোত্রী (Vivek Agnihotri) পরিচালিত ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ (The Kashmir Files) ছবি এক গভীর প্রভাব ফেলেছে দর্শক মননে। বর্তমানে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmiri Pandits) ঘরে ফেরানোর দাবি করছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ।

উল্লেখ্য, গোটা দেশ জুড়ে ১১ই মার্চ মুক্তি পেয়েছে পরিচালক বিবেক অগ্নিহোত্রী (Vivek Agnihotri) পরিচালিত ছবি ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস (The Kashmir Files)।’ মুক্তির পর থেকে সর্বত্র দুর্দান্ত সাড়া ফেলেছে এই ছবি। ভারতবর্ষের ইতিহাসে এই রূপ অন্ধকার একটি কাহিনিকে আপন করে নিয়েছেন দর্শক। ছবিতে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashir Pandits) দুর্দাশার কাহিনি প্রস্ফুটিত হয়েছে। প্রায় ৩০ বছর আগের কথা, ভয়ে- আতঙ্কে জর্জরিত হয়ে ভিটেমাটি হারা হয়েছিলেন একাধিক কাশ্মীরি পণ্ডিতের পরিবার যা আজও ভুলতে পারেন নি কাশ্মীরবাসী। একদিন কাশ্মীরের এক মসজিদ থেকে আচমকা ঘোষণা করা হয় যে, ‘কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হয় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে হবে নচেৎ কাশ্মীর পরিত্যাগ করতে হবে। আর তাদের এই শর্তে রাজি না হলে ঘরে ঢুকে কাশ্মীরি পণ্ডিত পরিবারের (Kashmir Pandits Family) পুরুষ সদস্যদের হত্যা করা হবে।’

১৯৯০ সালের এই ঘটনা আজও তাড়া করে বেড়ায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পরিবারকে। কেন্দ্রীয় সরকার অনেকবার এই কাশ্মীরি পণ্ডিত পরিবারকে তাঁদের ঘরবাড়ি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতুশ্রুতি দিয়েছেন ঠিকই তবে এখনও সেই তা সম্ভব হয়ে ওঠে নি। সরকারের তরফে বলা হয়েছে যে কাশ্মীরি পণ্ডিতদের জন্য বাড়ি তৈরি করা হচ্ছে, তাঁদের জন্য চাকরির ও ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবে এই সকল প্রতিশ্রুতি ও এখন ও ধোঁয়াশা। কারণ আদতে কবে ফিরতে পারবে কাশ্মীরি পণ্ডিতরা সেই বিধায় এখনও কোনো জবাব মেলে নি সরকারের তরফে। এরই মাঝে এক বিরাট ঘোষণা করা হল সিআরপিএফের (CRPF) তরফে।

শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা! ৪১০ শিশুকে মেয়াদ পেরোনো টিকা! ক্যাগ রিপোর্ট

নিউজ ডেক্সঃ শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা! মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া টিকা দেওয়া হয়েছে ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) কয়েকশো শিশুকে। ক্যাগ (CAG) রিপোর্টের সূত্রে এই খবর সামনে এসেছে।

আরো পড়ুন- আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে রেকর্ড পতন! ভারতের কি প্রভাব পড়বে?

জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের শেষদিক থেকে ২০১৯-এর জানুয়ারি পর্যন্ত ৪১০ জন শিশুকে দেওয়া হয়েছে হেপাটাইটিস বি-এর মেয়াদোত্তীর্ণ টিকা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) জেলা হাসপাতালের। তবে কোনও বিরোধী দল এই গুরুতর অভিযোগ আনেনি। বরং বিষয়টি সামনে এসেছে ক্যাগের সাম্প্রতিক রিপোর্টের সূত্রে। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, রামগড়ের জেলা হাসপাতালে ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে হেপাটাইটিস বি টিকার একটি স্লটের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু সেই মেয়াদোত্তীর্ণ হেপাটাইটিস বি টিকাই ২০১৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত লাগাতার শিশুদের দেওয়া হয়। রামগড় হাসপাতাল ছাড়াও জাল ইঞ্জেকশন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে দেওঘরে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেওঘরে সরকারি হাসপাতালে কমপক্ষে ৪১৮৫ জনকে জাল ডেক্সোনার ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে। অথচ ১৭,৫০০ শিশি ডেক্সোনার ইঞ্জেকশন এসেছিল। কিন্তু রোগীদের জন্য সেগুলির একটিও ব্যবহার করা হয়নি। পরিবর্তে রোগীদের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে। ভয়ঙ্কর এই কাণ্ড সামনে আসায় শুরু হয়েছে শোরগোল।

ভারতের বাজারে এই প্রথম বাজাজ নিয়ে এলো ইলেকট্রিক স্কুটার, আসুন জেনে নিই এই স্কুটার টি তে কি কি ফিচার রয়েছে

বাজাজ কোম্পানি ২০০৫ সালে চাহিদা কম থাকার জন্য চেতক স্কুটারটির ম্যানুফ্যাকচারিং বন্ধ করে দেয়। তবে মধ্যবিত্তের কথা মাথায় রেখে সেই চেতককেই আবার নতুন রূপে ফিরিয়ে নিয়ে এলো বাজাজ। ইলেকট্রিক স্কুটার রূপে। এই ইলেকট্রিক স্কুটারটি চলবে ব্যাটারিতে। একবার চার্জ দিলে অনেকটা পথ যাওয়া যাবে স্কুটার।

ভারতের বাজারে বাজাজ এই প্রথম ইলেকট্রিক স্কুটার লঞ্চ করল। এবার আসুন জেনে নেয়া যাক স্কুটারটিতে কি কি ফিচারস আছে।
স্কুটারটির দুটি মডেলে লঞ্চ করেছে বাজাজ, একটি প্রিমিয়াম আর অন্যটি আর্বান।

এতে রয়েছে ৭০ হাজার কিলোমিটার এবং ৮ বছরের ওয়ারেন্টি যুক্ত লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারি। ব্যাটারিটি ১০০% চার্জ হতে সময় নেবে ৫ ঘন্টা। স্কুটারটি ইকো মোডে  সর্বোচ্চ ৯৫ কিলোমিটার আর স্পোর্টস মোডে ৮৫ কিলোমিটার যেতে সক্ষম। এছাড়াও ইলেকট্রিক স্কুটারটিতে রয়েছে এলইডি হেডলাইট, ডিজিটাল স্পিডোমিটার, ডিস ব্রেক এর মত ফিচারস।