বাংলাহান্ট ডেক্সঃ প্রয়াত সাহারা ইন্ডিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সুব্রত রায় (Subroto Roy) । মঙ্গলবার রাতে মুম্বইয়ের কোকিলাবেন অম্বানি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৷ দীর্ঘদিন ধরে তিনি ক্যানসার-সহ একাধিক রোগে ভুগছিলেন ৷ মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল 75 বছর ৷ সাহারা গ্রুপের তরফে একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রবিবার সুব্রত রায়ের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে কোকিলাবেন ধীরুবাই অম্বানি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় ৷ এরপর, মঙ্গলবার 10.30 টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয় ৷ এর সঙ্গে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যাও ছিল ৷
ঢাকে পড়ল কাঠি, জমজমাট খুঁটিপুজো করল কাঁচরাপাড়া কালিনগর রোড আমরা সবাই ক্লাব
বাংলাহান্ট ডেস্কঃ ঢাকে কাঠি পরে গেল! বেজে গেল পুজোর বাদ্যি! খুঁটি পুজোর মধ্যে দিয়ে শুরু হল কাঁচরাপাড়া কালিনগর রোড আমরা সবাই ক্লাবের (Kalinagar road Amra Sabai club) পুজো প্রস্তুতি। হাতে গুনে বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। এরপরই শুরু হবে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো (durga puja)।
কাঁচরাপাড়া শহরের যে কটি বারোয়ারি দুর্গাপুজো ঘিরে দর্শকদের উৎসাহ তুঙ্গে থাকে সেগুলির মধ্যে অন্যতম কালিনগর রোড আমরা সবাই ক্লাব । এবছর কালিনগর রোড আমরা সবাই ক্লাবের দুর্গাপুজো ৪৯ তম বর্ষে পদার্পণ করল। আজ রবিবার ২০ই আগস্ট ধুমধাম করে খুঁটি পুজোর পর্বটা সেরে নিলেন কালিনগর রোড আমরা সবাই ক্লাবের কর্মকর্তারা।

পুজো ঘিরে চড়ছে উত্তেজনার পারদ। ৬২ দিনের সামান্য বেশি বাকি। এবারও কালিনগর রোড আমরা সবাই ক্লাবের দুর্গাপুজো নজর কাড়বে বলেই জানিয়েছেন পুজোর উদ্যোক্তারা।

এদিনের এই খুঁটি পূজোর অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন, কাঁচরাপাড়া ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শর্মিষ্ঠা মজুমদার। কাঁচরাপাড়া ব্যাবসায়ি সমিতির ১ নম্বর ইউনিটের সেক্রেটারি তথা আমরা সবাই ক্লাবের সভাপতি কানাইলাল মজুমদার। উপস্থিত ছিলেন পূজো কমিটির কার্যকারী সভাপতি রামজিৎ দাস, পুজো কমিটির সম্পাদক প্রশান্ত দে । এছাড়াও এদিনের এই খুঁটি পূজোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিশিষ্টজনেরা।

এই দূর্গা পুজোর আরেক উদ্যোক্তা ভোলা মজুমদার বলেন, এবছর কালিনগর রোড আমরা সবাই ক্লাবের দুর্গোৎসব ৪৯ তম বর্ষে পদার্পণ করল। লাইট এবং সাউন্ডের মাধ্যমে কেদারনাথ মন্দিরের আদলে তৈরি হবে মন্ডপ। এছাড়াও বিশেষ চমক থাকছে মাতৃ প্রতিমায়। সম্পূর্ণ পাট কাঠি এবং পাটের সুতো দিয়ে তৈরি হবে মাতৃপ্রতিমার গয়না। এ বছর দর্শনার্থীদের প্রচুর ভিড় হবে বলে আশাবাদী ভোলা বাবু।
কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে জেলায় জেলায় তৃণমূলের ধরনা, রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ
কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে জেলায় জেলায় প্রতিবাদ কর্মসূচি ও আন্দোলনের সুর বেঁধে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অনুযায়ী রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শাসকদল তৃণমূলের ধরনা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। কেন্দ্রীয় বঞ্চনা এবং রাজ্যকে ১০০ দিনের টাকা না দেওয়ার প্রতিবাদে দুপুর ১২টা থেকে অবস্থানে বসেছে শাসক শিবির ৷ প্রতিবাদ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৷
কলকাতা সহ রাজ্যের সব জেলাতেই অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি করছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ২১-র মঞ্চ থেকে ৫ অগাস্ট বিজেপি নেতাদের বাড়ির সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করার কথা ঘোষণা করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞায় সেটা করা সম্ভব হয়নি। তারপরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যা ৮ তারিখ নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
আরো পড়ুন- চাঁদের কক্ষপথে চন্দ্রযান-৩, গন্তব্যে পৌঁছাতে আর ক’টি ধাপ বাকি
এদিন বিজপুরে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন বিধায়ক সুবোধ অধিকারী ৷ ডানলপের প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন বরানগরের বিধায়ক তাপস রায় ৷ কামারহাটিতে অবস্থান-বিক্ষোভে বসেছেন বিধায়ক মদন মিত্র। পাশাপাশি, সাড়ে 12টা থেকে রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম অহীন্দ্র মঞ্চের সামনে ধরনায় বসেছেন ৷ ট্রাঙ্গুলার পার্কে অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন দক্ষিণ কলকাতার জেলা সভাপতি ও বিধায়ক দেবাশিস কুমার । টালিগঞ্জ ট্রাম ডিপোর বিক্ষোভে আছেন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস । শ্যামপুকুরে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে ধরনায় বসেছেন মন্ত্রী শশী পাঁজাও ৷
কলকাতার মতো একই ছবি দেখা গিয়েছে জেলাতেও ৷ জেলার ক্ষেত্রে বিধায়করা এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন ৷ বাদ যায়নি সাংসদরাও ৷ ব্যারাকপুরে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন সাংসদ অর্জুন সিং ৷ যেসব তৃণমূল সাংসদরা কলকাতায় রয়েছেন তাঁরাও রবিবারের অবস্থান বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন ৷ শাসকদলের লক্ষ্য, মানুষের কাছে কেন্দ্রীয় সরকারের রাজ্যের প্রতি বঞ্চনাকে তুলে ধরা ।

হাওড়ায় মেট্রো চ্যানেলের সামনে ধর্নায় বসেছেন মন্ত্রী অরূপ রায়। বাংলার প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনার প্রতিবাদে মধ্য হাওড়া তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে আজ বেলা ১২টা থেকে বিকাল ৪টে পর্যন্ত হাওড়া ময়দান মেট্রো চ্যানেলের সামনে “ধর্নামঞ্চ” তৈরি করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করছে তৃণমূল। উপস্থিত রয়েছেন রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়, তৃণমূল নেতা মদন মোহন ব্যানার্জি, শ্যামল মিত্র, মৃণাল দাস সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আরো পড়ুন- কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে তৃণমূলের ধর্নামঞ্চে বিজেপি বিধায়ক
গোটা রাজ্যের পাশাপাশি দার্জিলিং জেলা জুরেও বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। মুলত দার্জিলিং জেলার ধর্ণামঞ্চগুলি হল, নক্সালবাড়ি ব্লকের বাগডোগরা, পানিঘাটা মোড়, ফাঁসিদেওয়া ব্লকের ফাঁসিদেওয়া থানা মোড়, মিজবাড়িগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাটিগাড়ার স্বামী বিবেকানন্দ মোড়ের কাছে, ও বারসানা হোটেলের সামনে, খড়িবাড়ির সবুজ সংঘ ক্লাবের সামনে ও শিলিগুড়ির ঋষি ভবনের কাছে, ভারত নগর কালি মন্দিরের কাছে ও ঘোগোমালি মোড়ে ধর্ণা মঞ্চের আয়োজন করা হয়েছে। মঞ্চগুলিতে এলাকার তৃণমূল নেতৃত্বদের পাশাাপশি উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল কর্মীরাও। জানা গিয়েছে কয়েকটি মঞ্চে উপস্থিত রয়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব, জেলা সভানেত্রী পাপিয়া , ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার সহ চেয়ারম্যান প্রতুল চক্রবর্তী সহ বিভিন্ন তৃণমূল কাউন্সিলররা।
৩৫ বছর পর ব্রিগেড! SUCI এর নিশানায় CPIM
বাংলাহান্ট ডেস্কঃ শিবদাস ঘোষের শতবর্ষ পালনের সমাপন অনুষ্ঠান উপলক্ষে দীর্ঘ ৩৫ বছর পরে কলকাতায় ব্রিগেড সমাবেশের আয়োজন করেছিল SUCI । আর সেই ব্রিগেড সমাবেশ থেকে সিপিএম ও অন্য বামন্থীদের নিশানা করল SUCI । প্রশ্ন তুলল জাতীয় স্তরে বিজেপি-বিরোধী জোটে তৃণমূল কংগ্রেস এবং সিপিএমের একসঙ্গে থাকা নিয়ে। শনিবার সমাবেশ ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতোই। দেশের ২৫টি রাজ্য থেকে ট্রেনে ও বাসে সমর্থকেরা এসেছিলেন সমাবেশে যোগ দিতে। বক্তৃতা চলাকালীন লম্বা সময় তাঁরা সুশৃঙ্খল ভাবে ময়দানে বসে ছিলেন।
দীর্ঘ বক্তৃতায় এসইউসি-র বর্ষীয়ান সাধারণ সম্পাদক প্রভাস ঘোষ এ দিন বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, সিপিএম বা পুরনো সিপিআই মার্ক্সবাদী আদর্শের ভিত্তিতে গঠিত দল নয়, তাদের কোনও চিন্তা-নায়ক নেই। ক্ষমতার রাজনীতি না করেও এসইউসি-র সেই ‘প্রকৃত সম্পদ’ আছে বলে তাঁর দাবি। তাঁর মন্তব্য, যে সব দল এক সময়ে এসইউসি সম্পর্কে ‘বক্রোক্তি’ করেছিল, তাদের অনেকেই এখন নিশ্চিহ্ন।

প্রভাসবাবু বলেছেন, ‘‘বাংলা, ত্রিপুরা ও কেরলে সিপিএম দীর্ঘ সময় সরকার চালিয়েছে। এই রাজ্যে ৩৪ বছর একটানা সরকারে থেকেও সেই দলের এখন কী অবস্থা? কংগ্রেসের সঙ্গে তারা জোট করেছে। এক জন পীরকে ধর্মনিরপেক্ষ বানানো হয়েছে। আবার এখন জাতীয় স্তরে বিজেপি-বিরোধী একটা জোট হয়েছে, যেখানে সিপিএম আছে, তৃণমূলও আছে। রাজ্যে তারা পরস্পরের সঙ্গে লড়ছে।’’ তাঁর আরও বক্তব্য, ‘‘এসইউসি কিন্তু মাথা নত করেননি। নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে আছে!’’
আরো পড়ুন- ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিনের বিস্তীর্ণ এলাকা, আহত অন্তত ১০
ব্রিগেড সমাবেশ থেকে প্রভাস ঘোষ বলেছেন “আমরা বিবেক বিক্রি করিনি। আমাকে কেনা যায়নি। না খেয়ে দিনের পর দিন থেকেছি।” ভাষণে এসইউসি সাধারণ সম্পাদক বারবার অন্যান্য বাম দলগুলিকে নিশানা করলেও রাজ্য সরকারে থাকা তৃণমূল কংগ্রেস সম্পর্কে ততটা আক্রমণাত্মক হলেন না।
বারবার সিপিআইএমকে নিশানা আর তৃণমূল সম্পর্কে ‘নরম’ কেন এসইউসিআই? এই বিতর্কে উঠে আসছে তৃণমূলের সাথে এসইউসি জোটের পুরনো প্রসঙ্গ। এই জোট করেই ২০০৯ সালে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র থেকে সাংসদ পেয়েছিল এসইউসি। পরে সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম জমি আন্দোলনে প্রথম নামে দলটির ছাত্র যুব সংগঠন। পরে তাদের মদত নেয় তৃণমূল কংগ্রেস।
শনিবার SUCI দলের ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ চর্চা চলেছে। কারণ এই দলটি গত যুক্তফ্রন্ট সরকারের শরিক ছিল। পরে টানা সাড়ে তিন দশকের বামফ্রন্ট জমামায় লাগাতার সরকার বিরোধী আন্দোলন করে নিজেদের দুটি বিধানসভা আসন ধরে রেখেছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি ও জয়নগর দুটি কেন্দ্র ছিল এসইউসিআইয়ের ঘাঁটি। এর বাইরে আর না বাড়লেও দেশজুড়ে সংগঠন আছে। রাজ্যে রাজনৈতিক মহলে এসইউসিআই ‘কুলতলি জয়নগরের পার্টি’ বলেও একসময় কটাক্ষের শিকার হতো। বাম জমানায় ১৯৮৮ সালে প্রথম ব্রিগেড মিটিং। আর ২০২৩ সালে হলো দ্বিতীয় ব্রিগেড।
বেহাল রাস্তা, ভোট প্রচারে যেতেই তৃণমূল বিধায়ককে কাদা ভর্তি রাস্তায় নামালেন গ্রামবাসীরা !
প্রচারে গিয়ে মহা ফ্যাসাদে তৃণমূল বিধায়ক, ভোটের প্রচারে গিয়ে ভাতারে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। ভোগান্তি বোঝাতে বিধায়ককেই কাদা ভর্তি রাস্তায় নামালেন গ্রামবাসীরা। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের কালুত্তক গ্রামে।
আরো পড়ুন- অগ্নিমূল্য সবজি, নাভিশ্বাস উঠছে মধ্যবিত্তের
পঞ্চায়েত ভোটে প্রতিদ্বন্দী তৃণমূল প্রার্থীদের সমর্থনে এদিন ভাতারের কালুত্তক গ্রামে প্রচারে গিয়েছিলেন এলাকার বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী। বিধায়ককে গ্রামে পেয়েই বাসিন্দারা বেহাল রাস্তা নিয়ে তাঁর কাছে ক্ষোভ উগড়ে দেন। গ্রামবাসী মজিউন বিবি বলেন, ‘সিপিএমের সময় একবার আমাদের গ্রামের রাস্তায় অল্প মোরাম দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের ১২ বছরের রাজত্বে আমাদের গ্রামের রাস্তার কোনও সংস্কার কাজ হয়নি।’

অপর বাসিন্দা সাজাহান সেখ বলেন, ‘আমাদের গ্রামের বেহাল রাস্তার কথা বহুবার স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েতকে এমনকী বিধায়ককেও বলা হয়েছিল। কিন্তু কেউ গুরুত্ব দেয়নি। বছরের পর বছর বর্ষায় কদায় ভরে থাকা রাস্তা দিয়ে গ্রামের সকল বাসিন্দাদেয় যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্কুল কলেজে পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের দুর্ভোগ পোয়াতে হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাবার জন্য। গ্রামে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে শুধু বেহাল রাস্তার জন্য গ্রামে অ্যাম্বুলেন্স ঢুকতে চায় না। এই সব কথা বিধায়ককে বলা হয়েছিল। তবুও কোনও কাজ হয়নি। রাস্তার সংস্কার কাজ হবে বলে দিদির সুরক্ষা কবজ কর্মসূচী চলার সময় বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারী নিজে কথা দিয়েছিলেন। তাঁর পরেও কালুত্তক গ্রামের স্কুল পাড়ার রাস্তার কোন সংস্কার কাজ হয়নি। ৬৬০ ফুট দীর্ঘ মাটির রাস্তা এখন শুধু কাদায় ভর্তি। ওই রাস্তা দিয়ে এখন হেঁটে যাওয়া দুরহ হয়ে পড়েছে। বেহাল রাস্তার জন্য আমাদের কতটা দুর্ভোগ পোয়াতে হয় সেটা বিধয়ক যাতে নিজে উপলব্ধি করতে পারেন তাই এদিন আমরা বিধায়ককে কাদা রাস্তায় হাঁটিয়েছি।’
জেলা বিজেপি সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, ‘শুধু ভাতার নয়, গোটা রাজ্যেরই এই হাল। খোঁজ নিলে হয়তো দেখা যাবে কাজ না করেই রাস্তার টাকা লুট হয়ে গেছে। তাই বেহাল রাস্তার কোন কাজ হয়নি। এইসবের জন্যই ক্ষোভে এলাকার বাসিন্দারা বিধায়ককে কাছে পেয়ে কাদা রাস্তায় হাঁটিয়েছেন। গ্রামবাসীরা যোগ্য জবাব দিয়েছেন।’
দেখুন ভিডিও –
রিক্সার ব্যাটারি চুরিকে ঘিরে তাণ্ডব, আটক ৩০
ই-রিক্সারর ব্যাটারি চুরি যেতেই দুই দুলের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। একে অপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া শুরু হয়। পুলিশ এই ঘটনায় ৩০ জনকে আটক করেছে। একালে জারি রয়েছে ১৪৪ ধারা।
ই-রিক্সারর ব্যাটারি চুরি, তার জেরেই দুই দলের মধ্যে লেগে গেল সংঘর্ষ। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডে। শুক্রবার ই-রিক্সারর ব্যাটারি চুরিকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে বচসা বাঁধে। সেখান থেকেই সংঘর্ষের সূত্রপাত। সংঘর্ষের সময় একে অপরকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়ে।
এই সংঘর্ষের পর শুক্রবার থেকেই ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি রয়েছে। দুই দলের প্রায় ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এলাকার পরিস্থিতি এখন শান্তিপূর্ণ এবং নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
অগ্নিমূল্য সবজি, নাভিশ্বাস উঠছে মধ্যবিত্তের
হু হু করে বাড়ছে সবজির দাম। মানুষ খাবে কী? উঠছে প্রশ্ন। বাজারে গিয়ে কিছু কিনতে গেলেই যেন নাভিশ্বাস উঠে আসছে সাধারণ মানুষের। এহেন পরিস্থিতি শেষ কবে হবে? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
বর্ষার মরসুমে হু হু করে বাড়ছে সবজির দাম (Vegetables Prices) । বাজারে আনাজপাতি কিনতে গেলেই রীতিমতো ছ্যাঁকা খাচ্ছেন সাধারণ মধ্যবিত্ত ঘরের মানুষ।
আরো পড়ুন- কুন্তল ঘোষের সঙ্গে টাকার লেনদেন…সব ফাঁস করলেন সায়নী ঘোষ!
অন্যান্য শহরগুলির পাশাপাশি দিল্লির ছবিটাও ঠিক একই আছে। হাকিম রেহমান নামের এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ‘গত ১০ দিনে বেড়েছে সবজির দাম। আগামী ২০ দিন টমেটোর দাম বেশি থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী মাসে টমেটোর নতুন ফসল বাজারে আসার সাথে সাথে দাম কমে যাবে।‘
Delhi | The prices of vegetables have increased in the last 10 days. The price of tomatoes is expected to remain high for the next 20 days. As soon as the new crop of tomatoes comes into the market next month, the prices will come down: Hakim Rehman, General Secretary, Okhla… pic.twitter.com/L0uZ9fjjTa
— ANI (@ANI) July 1, 2023
কুন্তল ঘোষের সঙ্গে টাকার লেনদেন…সব ফাঁস করলেন সায়নী ঘোষ!
প্রায় ১১ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদে কুন্তল ঘোষের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে যাবতীয় তথ্য স্পষ্ট করেছেন তৃণমূলের যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। কী কী বললেন তিনি?
‘আমার সঙ্গে কোনও দলের কোনওদিন কোনও আর্থিক লেনদেন হয়নি। কুন্তল নিজেকে সমাজকর্মী বলে পরিচয় দিত’, ইডির কাছে জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই দাবি করেছেন তৃণমূলের যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। কুন্তলের সঙ্গে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়নি বলে দাবি করেছেন সায়নী ঘোষ। ঋণ সংক্রান্ত কাগজপত্র আনতে বলা হয়েছিল কিন্তু তিনি আনেননি বলে দাবি করল ইডির আধিকারিকরা। গতকাল প্রায় ১১ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদের পর বুধবার আবার সায়নী ঘোষকে তলব করা হল ইডির দফতরে। নেত্রীর বয়ানের সঙ্গে তদন্তকারীদের হাতে থাকা নথি ও প্রমাণ খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা গেছে। তাহলে কি কোনও অসঙ্গতি খুঁজে পেল আধিকারিকরা?
রাজ্যে কবে আসছে বর্ষা? কি বলছে হাওয়া অফিস, জানুন
কলকাতায় চলছে গরম৷ তীব্র গরমের দাপটে সাধারণ মানুষের জীবন একেবারে দুর্বিসহ হয়ে উঠেছে৷ এর মধ্যেই খুশির খবর শোনালো আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, রবিবার থেকেই উত্তরবঙ্গে পাক-বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। দক্ষিণবঙ্গেও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। তবে উত্তরের মতো ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা এখনই নেই সমতল কিংবা মালভূমিতে।
আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ির মতো উত্তরের পাহাড়ঘেঁষা পাঁচ রাজ্যে বৃহস্পতিবার থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। রবিবার থেকে ভারী বৃষ্টি হবে এই জেলাগুলিতে। প্রাক্-বর্ষার বৃষ্টিতে ভিজবে উত্তরবঙ্গ। তবে উত্তরের বাকি তিন জেলা অর্থাৎ মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে আপাতত বৃষ্টি হবে না। শনিবার পর্যন্ত সেখানে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার এই তিন জেলাতেও বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ কিছুটা বৃষ্টি হতে পারে।

দক্ষিণবঙ্গের ক্ষেত্রে এখনই ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, দক্ষিণের সাত জেলায় রবিবার পর্যন্ত টানা তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে। তালিকায় আছে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম।
দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলির ক্ষেত্রে কোথাও বৃহস্পতিবার কোথাও রবিবার থেকে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বৃহস্পতিবার বিক্ষিপ্ত ভাবে ভিজতে পারে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ার দু’একটি এলাকা। রবিবার থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে এই জেলাগুলি ছাড়াও কলকাতা, হাওড়া এবং হুগলিতে। তবে আবহাওয়া দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে আপাতত বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশ কম। কোথাও কোথাও কিছুটা বৃষ্টি হলেও গরমের অস্বস্তি তাতে কমবে না।
CBI Raid: পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফিরহাদ হাকিমের দফতরে CBI হানা
বাংলাহান্ট ডেস্কঃ পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফিরহাদ হাকিমের দফতরে CBI হানা! সল্টলেকে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে হানা দেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ‘পুরোটাই রাজনীতি’, অভিযোগ করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জানা গিয়েছে, বুধবার একযোগে রাজ্যের মোট ১৪টি পুরসভায় পৌঁছন সিবিআই-এর একদল আধিকারিক। সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। সেই প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে ‘রাজনীতির’ গন্ধ পান ফিরহাদ। তিনি জানেন না কী উদ্দেশ্যে এ দিনের হানা। তবে ত্রাস তৈরির চেষ্টা চলছে বলে কটাক্ষ করেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।
পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের প্রায় ১৫ মিনিট ছিলেন সিবিআই গোয়েন্দারা। বেরনোর সময় ওই দফতরের দু’জন কর্মচারীকে গাড়িতে তুলে ডিডি ব্লকে নিয়ে যান।
বুধবার রাজ্যের একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কলকাতা থেকে জেলা, পুর ও নগরোয়ন্নয় দফতরের পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক পুরসভায় তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআই আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, চুঁচুড়া, দক্ষিণ দমদম, নিউ ব্যারাকপুর, দমদম, পানিহাটি, কামারহাটি, কাঁচরাপাড়া, হালিশহর, শান্তিপুর-সহ ১৮টি পুরসভায় তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

সিবিআই সূত্রে খবর, মূলত নথি উদ্ধারের জন্যই রাজ্যের এই পুরসভাগুলিতে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে সিবিআই। এদিন কলকাতার নিজাম প্যালেসের সিবিআই দফতর থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ১০০ জন সিবিআই অফিসারের ১৬টি দল তল্লাশি অভিযান চালানোর জন্য বের হয়। পুরসভাগুলির আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলবেন গোয়েন্দারা, সিবিআই সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।
জানা গিয়েছে, পুরসভায় অভিযান চালানোর পাশাপাশি, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে ধৃত হুগলির প্রোমোটার অয়ন শীলের সংস্থার নামে থাকা এবিএস ইনফোজোনের অফিসেও তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা। এর পাশাপাশি অয়নের চুঁচুড়ার পৈতৃক বাড়িতেও গিয়েছে সিবিআইয়ের একটি দল। সেখানে অয়নের মা-বাবার সঙ্গে কথা বলছেন সিবিআই আধিকারিকরা।
সিবিআই সূত্রে খবর, ২০১৪ সালের পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। বিভিন্ন পদে, তা সে মজদুর, ক্লার্ক, ঝাড়ুদার, ড্রাইভার থেকে শুরু করে সব পদেই নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক পুরসভায় নিয়োগের ক্ষেত্রে বোর্ড অব কাউন্সিলরদের মিটিংয়ে প্রস্তাব পেশ করে তা পাশ করতে হয়। সেক্ষেত্রে পাশ হওয়া রেজিলিউশনে কোন কোন কাউন্সিলরের সই রয়েছে, সেই তথ্যও সংগ্রহ করবে সিবিআই।

উল্লেখ্য, আদালতের রায়ের ভিত্তিতে পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে এফআইর দায়ের করেছিল। সিবিআই সূত্রে দাবি, মোটা টাকার বিনিময়ে মাধ্যমে ২০১৪ সাল থেকে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগ হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই নিয়োগ দুর্নীতির পিছনে প্রভাবশালীদের একাংশের হাত রয়েছে বলে মনে করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার তদন্তে সেই সংক্রান্ত প্রমাণ জোগাড়ের চেষ্টা করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অয়ন শীলের থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূ্র্ণ তথ্য পাওয়া যায়। সম্প্রতি ইডির পক্ষ থেকেও রাজ্যের সব পুরসভাগুলির থেকে ২০১৪ সালের পর থেকে পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়। এদিকে, সিবিআইয়ের অভিযান নিয়ে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানিয়েছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে অভিযানে নেমেছে সিবিআই। এখন কোনও প্রভাবশালীর নাম তদন্তে উঠে আসে কি না, সেটাই দেখার।
পুরো নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের ১৮ টি পৌরসভায় সিবিআই হানা
বাংলাহান্ট ডেস্কঃ পুরো নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রাজ্যের ১৮ টি পৌরসভায় সিবিআই হানা । বুধবার সকাল থেকে রাজ্যের একাধিক জায়গায় একযোগে তল্লাশিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কলকাতা থেকে জেলা, পুর ও নগরোয়ন্নয় দফতরের পাশাপাশি রাজ্যের একাধিক পুরসভায় তল্লাশিতে সিবিআই আধিকারিকরা। নিউ ব্যারাকপুর, পানিহাটি, টিটাগড়, কাঁচরাপাড়া পুরসভা সহ ১৮টি পুরসভায় তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকরা।
আরো পড়ুন- Cyclone: ধেয়ে আসছে ‘বিপর্যয়’! সাবধান করল হাওয়া অফিস
সিবিআই সূত্রে খবর, মূলত নথি উদ্ধারের কারণেই এই পুরসভা গুলিতে তল্লাশি অভিযান চলছে। এদিন কলকাতার নিজাম প্যালেসের সিবিআই দফতর থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে ১০০ জন সিবিআই অফিসারের ১৮টি দল তল্লাশি অভিযান চালানোর জন্য বের হয়। পুরসভা গুলির আধিকারিক সঙ্গেও কথা বলবেন গোয়েন্দারা, সিবিআই সূত্রে এমনটা খবর।

নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে জেলবন্দি অয়ন শীলের চুঁচুড়া ও সল্টলেকের বাড়ি-অফিসেও চলছে তল্লাশি। উত্তর ২৪ পরগনার নিউ ব্যারাকপুর, কাঁচরাপাড়া, হালিশহর, কামারহাটি, পানিহাটি, বরানগর, টিটাগড়, দমদম, উত্তর দমদম, দক্ষিণ দমদম, টাকি, বাদুড়িয়া-সহ ১৮টি পুরসভায় হানা দিয়েছে সিবিআই। এছাড়া, নদিয়া জেলার দুটি পুরসভা শান্তিপুর ও কৃষ্ণনগরেও চলছে তল্লাশি।
সিবিআই সূত্রে খবর, ২০১৪ সালের পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে। মজদুর, ক্লার্ক, ঝাড়ুদার, ড্রাইভার থেকে শুরু করে সব পদেই নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক পুরসভায় নিয়োগের ক্ষেত্রে বোর্ড অব কাউন্সিলরদের মিটিংয়ে প্রস্তাব পেশ করে তা পাশ করা হয়। পাশ হওয়া রেজিলিউশনে কোন কোন কাউন্সিলরের সই রয়েছে, সেই তথ্যও সংগ্রহ করবে সিবিআই।
স্কুলে গরমের ছুটির মেয়াদ আরো বাড়লো, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী
বাংলাহান্ট ডেস্কঃ গরমের ছুটি নিয়ে বড় আপডেট। গত ২ মে রাজ্যে গরমের ছুটি পড়েছিল। তারপর কেটে গেছে একমস। কিন্তু গরমের ছুটি কবে শেষ হবে তা নিয়ে ছিল ধোঁয়াশা । এবার গরমের ছুটি নিয়ে বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।
আরো পড়ুন- উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় বেতনা নদীর ওপরেই অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ
রাজ্যের স্কুলগুলির গরমের ছুটির মেয়াদ বাড়ল আরও ১০ দিন। ঘোষণা করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের তরফে মঙ্গলবার ঘোষণা করা হয়েছিল, আগামী ৫ জুন থেকে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলি। ৭ জুন থেকে প্রাথমিক স্কুলগুলিও খোলার ঘোষণা করা হয়। তবে বুধবার রাজ্যের তরফে গরমের ছুটির মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়িয়ে তা ১৫ জুন পর্যন্ত করে দেওয়া হল।

গত ২ মে থেকে রাজ্যের স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি শুরু হয়েছিল। পর্ষদের বার্ষিক ছুটির তালিকা অনুযায়ী, গরমের ছুটি শেষ হওয়ার কথা আগামী ৪ জুন। তার পর ৫ তারিখ থেকে স্কুল খোলা হবে কি না, সে বিষয়ে শিক্ষা দফতরের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছিল। এর পরেই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ৫ জুন থেকে স্কুল খোলার কথা জানানো হয়। কিন্তু বুধবার মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, এখনই গরমের ছুটি শেষ হচ্ছে না। পাশাপাশি গরমের ছুটির মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী।










