ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিনের বিস্তীর্ণ এলাকা, আহত অন্তত ১০

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ রবিবার ভোরে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল চিনের বিস্তীর্ণ এলাকা।রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। ভূমিকম্পের জেরে ভেঙে পড়েছে বহু ঘরবাড়ি। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। রাজধানী বেজিং থেকে ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে ডেজহোউ সিটি। ‘চায়না আর্থকোয়েক নেটওয়ার্ক সেন্টার’ সূত্রে খবর, রবিবার ভোরে ওই এলাকা কাঁপতে শুরু করে। সরকারি টিভি ‘চায়না সেন্ট্রাল টেলিভিশন’ (সিসিটিভি)-এ দাবি করা হয়েছে ভূমিকম্পের জেরে ভেঙে পড়েছে অন্তত ৭৪টি বাড়ি। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। তবে এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

অন্য দিকে, শনিবার রাতে আচমকাই কেঁপে ওঠে ভারতের রাজধানী দিল্লিও। জানা যায়, আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বত ছিল সেই কম্পনের উৎসস্থল। আচমকা ভূমিকম্পে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন দিল্লিবাসী। দৌড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন তাঁরা। এ ক্ষেত্রেও ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির কোনও খবর নেই।

অপারেশন ঘোস্ট স্টোরিস। আমেরিকার ইতিহাসে রাশিয়ার সবচেয়ে বড় স্পাই নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করে এফবিআই

দিনটা ২৬ জুন, ২০১০, অন্যান্য দিনের মতোই কর্মব্যাস্ত নিউইয়র্ক শহরের এক রেস্তোরাঁয় কালো চশমা পড়ে লাল চুলের এক মেয়ে প্রবেশ করে। সেখানে অনেকক্ষন ধরেই তার জন্য অপেক্ষা করছিল কালো জামা পড়া এক ব্যাক্তি। তবে মেয়েটি রেস্তোরাঁয় প্রবেশ করার অনেক আগে থেকেই চারপাশ খুব ভালো ভাবে লক্ষ্য করছিল। মেয়টির নাম অ্যানা চ্যাপমান যে একজন রাশিয়ান গুপ্তচর। কালো জামা পড়া ওই ব্যাক্তিটির নাম রোমান যে একজন রাশিয়ান কর্মকর্তা। অ্যানা তার ব্যাগ থেকে একটি ল্যাপটপ বের করে রোমানের হাতে দেয়। আসলে রোমান নামে যে ব্যাক্তিটিকে অ্যানা রাশিয়ান কর্মকর্তা ভাবছিল বাস্তবে সে আমেরিকার ইনটেলিজেন্স সংস্থা এফবিআই এর এজেন্ট। তাদের এই পুরো ঘটনা একটি গোপন ক্যামেরায় রেকর্ড হচ্ছিল।

এফবিআই এই পুরো মিশনের পরিকল্পনা বহুদিন ধরেই করছিল। এফবিআই এর এই মিশনের নাম অপারেশন ঘোস্ট স্টোরিস। বহুদিন ধরেই আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বেশ কয়েকজন রাশিয়ান এজেন্ট গোপনে কাজ করছিল। তারা আমেরিকান পরিচয় নিয়ে সাধারন আমেরিকানদের ছদ্মবেশে আমেরিকায় বসবাস করে পরিবারও তৈরি করেছিল। তাদের পরিবার তাদের এই গোপন জীবন সম্পর্কে জানত না। কিন্তু এফবিআই বহুদিন ধরেই তাদের ধরবার পরিকল্পনা করছিল। এক অসাধারন অপারেশনের মাধ্যমে এফবিআই একই দিনে সব রাশিয়ান এজেন্টদের গ্রেফতারের পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলে।

অ্যানা চ্যাপমান নামের এই রাশিয়ান মহিলা দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা ও ব্রিটেনে রাশিয়ান এজেন্ট হিসাবে কাজ করছিল। লন্ডনে রাশিয়ার একটি মিশনে কাজ করার সময় অ্যানার সাথে পরিচত হয় আলেকজান্ডার চ্যাপমান নামে এক ধনী যুবকের, এবং উভয়ে খুব তাড়াতাড়ি বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হয়। কিন্তু চার বছর পর উভয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়ে যায়। অ্যানা তখন লন্ডন থেকে ম্যানহ্যাটেন চলে আসে ২০০৯ সালে। পরে সেখান থেকে পরে নিউইয়র্ক আসে, কিন্তু তখনও সে তার প্রাক্তন সাথীর চাপম্যান টাইটেল ব্যবহার করছিল। নিউইয়র্কে এসে অ্যানা রাশিয়ান ইনটেলিজেন্স সংস্থা কেজিবির কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ শুরু করে নিউইয়র্কে তার কাজ শুরু করে। লাল চুলের সুন্দরী অ্যানা খুব দ্রুত রাজনৈতিক মহলে তার বন্ধু তৈরি করতে শুরু করে এবং সে সফলও হয় তার কাজে। সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বিভিন্ন কফিশপে, মলে, রেস্তোরাঁয় গোপন ভাবে কেজিবি এজেন্টদের সাথে দেখা করত অ্যানা। কিন্তু অ্যানা জানতো না এফবিআই তাকে নজর রাখা শুরু করেছে, আসলে বহু দিন থেকেই এই অপারেশন ঘোস্টস্টোরিস শুরু করেছিল এফবিআই। ২০০০ সালের শুরু থেকেই এফবিআই এই অপারেশন শুরু করে। প্রায় দশ বছর ধরে চলা এই অপারেশনে রাশিয়ান এজেন্টদের উপর এফবিআই বহু ধরে নজর রেখেছিল। কয়েক হাজার ঘন্টা ধরে তাদের সমস্ত বক্তব্য বিশ্লেষন করতে হয় এফবিআই এজেন্টদের।

অ্যানা সহ আমেরিকায় থাকা রাশিয়ান এজেন্টরা প্রাইভেট ওয়াইফাই নেটওয়ার্কে যোগাযোগ করত যার লিংক ও গোপনীয় ছিল। এইসব এজেন্টরা রেডিওগ্রাম ও স্টেগানোগ্রাফি ব্যাবহার করত যোগাযোগের জন্য। স্টেগানোগ্রাফি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে একটি কম্পিউটারে রঙিন ছবির মধ্যে একটি বিশেষ সফটওয়্যারে কিছু ডিজিট্যাল সাংকেতিক মেসেজ ইনস্টল করা থাকত। সবাই দেখে সেটা সাধারন ছবি ভাবত, কিন্তু এই ছবির মধ্যে থাকা সফটওয়্যার ওপেন করতে হলে একটি বিশেষ কোডের দরকার হতো। প্রথমে কম্পিউটারে কন্ট্রোল, অল্ট ই টিপে তারপর ২৭ সংখ্যার একটি পাসওয়ার্ড দিতে হত তবে সেই মেসেজ দেখা যেত। এফবিআই এই প্রাইভেট নেটওয়ার্ক খুঁজে বের করে এবং অ্যানার কম্পিউটার হ্যাক করে তাতে নিজেদের সফটওয়্যার ইনস্টল করে দেয়। এভাবে অ্যানা সহ আমেরিকায় গোটা কেজিবি নেটওয়ার্ককে ট্র্যাক করে ফেলে এফবিআই। অ্যানা যেখানে যেত, যাদের সাথে গোপনে দেখা করতো সব তথ্যই এফবিআই পেতে থাকে। এফবিআই বহুদিন ধরেই সন্দেহ করছিল বেশ কিছু সংখ্যায় রাশিয়ান আমেরিকায় ছদ্মবেশে বসবাস করছে। এইসব এজেন্টদের দেখে কেউ সন্দেহও করবে না, এরা এমনই পরিচয় তৈরি করেছিল। এদের মধ্যে কেউ নিজের নাম বদলে ফেলেছিল, কেউ মরে যাওয়া ব্যাক্তির নাম ব্যবহার করেছিল। সাধারন স্বামী স্ত্রীর মতোই প্রতিবেশীদের সাথে শান্তিপূর্ন বসবাস করতো এরা, সন্তান ছিল, কাজ করত, কেউ কেউ কলেজেও পড়তো অর্থাৎ পুরো একদম সাধারন জীবন যাপন, সন্দেহর কোন জায়গায় ছিলনা।

রাশিয়া এভাবে আমেরিকায় পুরো তাদের কেজিবির একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করে ফেলেছিল। এফবিআই এই অপারেশনের নাম ঘোস্ট স্টোরিস দেয় কারন এফবিআই প্রাথমিক ভাবে দশজনকে রাশিয়ান এজেন্ট হিসাবে সন্দেহ করেছিল তাদের মধ্যে ছয়জনই মরে যাওয়া আমরিকান নাগরিকদের পরিচয় ব্যাবহার করতো। আমেরিকায় কেজিবির এই নেটওয়ার্ক পুরো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে ব্রিটেনে সোভিয়েত ইউনিয়নের কেমব্রিজ ফাইভ নেটওয়ার্কের মতো ছিল যা ১৯৫০ সাল পর্যন্ত ছিল। যদিও ব্রিটেনের ইনটেলিজেন্স সংস্থা এমআই ৬ এবং এমআই ৫ সফল ভাবে এই নেটওয়ার্ক ধ্বংস করে দিয়েছিল। কেমব্রিজ ৫ এর সবচেয়ে ধুরন্ধর এজেন্ট ছিল কিম ফিলবি যে এমআই ৬ এর সোভিয়েত ইউনিয়ন বিভাগের প্রধান হিসাবেও নিযুক্ত হয়েছিল। এফবিআই প্রায় একবছর ধরে অ্যানার উপর নজর রাখে। অ্যানা অন্তত ছয়টি জায়গা থেকে সাংকেতিক ভাবে মেসেজ পাঠাতো ও পেতো। সব কটি মেসেজই এফবিআই বুঝতে পারতো। এফবিআই রোমানকে রাশিয়ান কর্মকর্তা সাজিয়ে অ্যানার সাথে দেখা করতে পাঠায়। রোমানের সাথে দেখা করতে রাজিও হয়ে যায় অ্যানা। রোমান অ্যানাকে একটি নকল আমেরিকান পাসপোর্ট দিয়ে তা একজন এজেন্টকে দিয়ে আসতে বলে। কিন্তু অ্যানার রোমানের উপর সন্দেহ দেখা দেয় সেজন্য রেস্তোরাঁ থেকে বেড়িয়েই সে প্রথমেই তার ফোন নষ্ট করে ফেলে। একটি নতুন ফোন ও সিম কার্ড কেনে। কিন্তু এফবিআই অ্যনার গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। পরের দিন অর্থাৎ ২৭ জুন অ্যানাকে গ্রেফতার করে এফবিআই। তবে ২৭ জুন শুধু অ্যানা একা গ্রেফতার হয়নি তার সাথে বোস্টন, উত্তর ভার্জিনিয়া, মন্টক্লেয়ার এবং ইয়াঙ্কাীসে অভিয়ান চালিয়ে আরও নয়জন রাশিয়ান এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ৮ জুলাই দশজন এজেন্টকে রাশিয়া ফেরত পাঠানো হয়, বদলে রাশিয়াও গুপ্তচর সন্দেহে গ্রেফতার হওয়া চারজন ইউরোপীয়ান ব্যাক্তিকে ছেড়ে দেয়। তবে আরও তিনজন রাশিয়ান এজেন্ট গ্রেফতারের আগেই আমেরিকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। এই সমস্ত এজেন্ট রাশিয়ার এসভিআর ইনটেলিজেন্স অ্যাকডেমি থেকে প্রশিক্ষিত ছিল। এফবিআই এর ইতিহাসে এরকম অপারেশন প্রথমবারের মতোন হয় যেখানে একই দিনে দশজন রাশিয়ান এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়। এই দশ এজেন্টকে রাশিয়া আমেরিকায় পাঠিয়েছিল যাতে তারা সাধারন আমেরিকান হিসাবে বসবাস করে আমেরিকার রাজনৈতিক জগতে প্রভাব খাটিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। গ্রেফতার হওয়া দশজন রাশিয়ান এজেন্টদের মধ্যে আটজন স্বামী স্ত্রী এবং দুজন একা ছিল।

** ভিকি পেলায়েজ এবং জুয়ান লাজারো:–

ভিকি পেলায়েজের আসল নাম ছিল মিখাইল অ্যান্টোলিভিচ ভাসেনকভ। পেরুতে জন্মানো এই ব্যাক্তি আমেরিকায় ল্যাটিন ও আমেরিকান ও ক্যারিবিয়ান রাজনীতির অধ্যাপক হিসাবে কাজ করতো। তার স্ত্রী জুয়ান লাজারো নামটাও ছদ্মনাম ছিল। আসল জুয়ান লাজারো একজন আমেরিকান বাচ্চা ছিল যে ১৯৪৭ সালে উরুগুয়েতেই মারা গিয়েছিল। জুয়ান লাজারো এল ডিয়ারিও নামে একটি আমেরিকান স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমে কাজ করতো।

** ডোনাল্ড হেতফিল্ড এবং ট্রাসি লি অ্যান ফলি:– এদের আসল নাম ছিল অ্যান্দ্রে বেজ্রোকোভ এবং ইয়েলিনা ভ্যাভিলোভা। এরা ম্যাসাচুসেটসে থাকত। ডোনাল্ড হেতফিল্ড নামটা একজন কানাডিয়ান মৃত ব্যাক্তির। ট্রাসি রিয়েল এস্টেট এজেন্ট এবং ডোনাল্ড ভবিষ্যত প্রযুক্তির উপরে কাজ করত, সাথে সেলসম্যান হিসাবেও কাজ করতো।

** রিচার্ড এবং সিন্থিয়া মার্ফি:— এদের আসল নাম ভ্লাদিমির গুরিয়েভ এবং লিদিয়া গুরিয়েভা। এরা নিউ জার্সির মন্টকেয়ারে থাকতো। সিন্থিয়া বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রজেক্টে কাজ করতো নিউইয়র্কে।

** মিখাইল জটোলি এবং প্যাটরিসিয়া মিলস:– এদের আসল নাম ছিল মিখাইল কুটসিক এবং নাটালিয়া পেরেভারজেভা। প্রথমে এরা ওয়াশিংটনে থাকতো পরে ভার্জিনিয়ায় চলে আসে। এরা ২০০১ ও ২০০৩ সালে আমেরিকায় আসে। জটোলি নিজেকে ইটালিয়ান ব্যাঙ্কার হিসাবে পরিচয় দিয়েছিল এবং মিলসের পরিচয় ছিল একজন কানাডিয়ান ছাত্র।

** অ্যানা চ্যাপম্যান :– আসল নাম অ্যানা কুশচেঙ্কো। লন্ডন থেকে নিউইয়র্কে এসে রিয়েল এস্টেট এজেন্ট হিসাবে কাজ করতো।

** মিখাইল সেমেঙ্কো :– এই ব্যক্তি তার নিজের নামেই আমেরিকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। রাশিয়ান, ইংরেজি, স্প্যানিশ ও চাইনিজ ভাষায় পারদর্শী মিখাইল ট্রাভেল অল রাশিয়া নামে একটি ভ্রমন সংস্থায় কাজ করতো। তার মালিক সালাভা শিরোকোভ একজন বিশ্বরাজনীতির বিশ্লেষক ছিল যার থেকে অনেক গোপন তথ্য পেত মিখাইল।

পরে সাইপ্রাসে ক্রিস্টোফার মেসটস নামে আর একজন ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করে এফবিআই যে আমেরিকা থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। মেসটস আমেরিকায় রাশিয়ান এজেন্টদের পয়সা দেবার দায়িত্বে ছিল। মেসটস নিজেকে কানাডিয়ান দাবি করলেও তার আসল পরিচয় এফবিআই খুঁজে বের করে। তার আসল নাম পাভেল কাপুস্টিন যে একজন ধুরন্ধর রাশিয়ান এজেন্ট।

পাকিস্তানে চরম খাদ্য সংকট, মোদিকে পাশে চান পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ

পাকিস্তানে চরম খাদ্য সংকট, বহু জায়গায় দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চাল-গমের গাড়ি দেখলে পিছু নিচ্ছে বুভুক্ষু মানুষ। বেশিরভাগ রেশন দোকান বন্ধ। বিদ্যুতের অভাবে জলের পাম্প চালানো যাচ্ছে না অনেক জায়গায়। ফলে পানীয় জলের সংকট দেখা দিয়েছে। দেশের এই পরিস্থিতির জন্য লজ্জিত পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ। সাহায্য চাইতে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করছেন।

গতকাল গিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমির শাহী। সেখানে গিয়ে বার্তা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকেও। স্থানীয় টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাত্‍কারে পাক প্রধানমন্ত্রী খোলাখুলি বলেন, আমি ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে বেরিয়েছি। আমার এইটা ভেবে খারাপ লাগছে যে আমাদের দেশের হাতে পরমাণু বোমা আছে। অথচ ভাঁড়ারে চাল-গম নেই। এই পরিস্থিতির জন্য আমি লজ্জিত (Pakistan Crisis) ।

আরো পড়ুন- ফের বিয়ে করেছে দাউদ ইব্রাহিম! জামাই আদরেই পাকিস্তানে রয়েছে ডন

সামরিক খাতে খরচ এবং যুদ্ধ যে পাকিস্তানের আর্থিক মেরুদণ্ডকে চুরমার করে দিয়েছে তাও ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমরা তিনবার যুদ্ধ করেছি। হার-জিৎ প্রসঙ্গ এড়িয়ে তিনি বলেন, আমাদের যথেষ্ট শিক্ষা হয়েছে। তিনি বলেন, আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকে আগ্রহী। আমাদের দুই দেশের মধ্যে কথা শুরু হওয়া দরকার। তার কথায়, আমরা যারা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছি, আমাদেরই ঠিক করতে হবে আমরা কী দেশকে ফের যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেব নাকি মুখোমুখি বসে কথা বলে একে অপরকে সহায়তা করব।

প্রসঙ্গত, ২০১৯-এ কাশ্মীরের পুলওয়ামায় সেনা কনভয়ে হামলা জেরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা বন্ধ রয়েছে। বন্ধ বাণিজ্যও। আফগানিস্তানে ভারত খাদ্য পাঠাতে পাকিস্তানের ভূখণ্ডকে ব্যবহার করলেও তা ছিল ত্রাণ। বাণিজ্যিক সরবরাহ নয়। গত বছর পাকিস্তানের ভয়াবহ বন্যার সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিপুল ত্রাণ সামগ্রী পাঠান সে দেশে। কিন্তু কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হয়নি। লক্ষণীয় হল, কাশ্মীরের বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলও চাইছে ভারত আলোচনার দরজা খুলুক। কিন্তু সেখানে বিধানসভার ভোট না হওয়া পর্যন্ত দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরুর সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।

ফের বিয়ে করেছে দাউদ ইব্রাহিম! জামাই আদরেই পাকিস্তানে রয়েছে ডন

নয়াদিল্লিঃ ফের বিয়ে করেছে দাউদ ইব্রাহিম! কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA-র জেরায় চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ডনের ভাগ্নে আলি শাহের। সেপ্টেম্বরে ভারতে মোস্ট ওয়ান্ডেড আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনের ভাগ্নেকে জেরা করে NIA। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমন সূত্রে খবর, জেরায় আলি শাহ জানিয়েছে, পাকিস্তানেই দ্বিতীয়বার সংসার পেতেছে দাউদ ইব্রাহম (Dawood Ibrahim)। জামাই আদরেই পাকিস্তানের রয়েছে ডন। করাচি থেকেই চলছে তার অন্ধকার সাম্রাজ্যের কারবার। দাউদের বোন হাসিনা পার্কার (Haseena Parkar) ছেলের NIA-কে দেওয়া বয়ানের রেকর্ড হাতে পেয়েছে একটি সর্ব ভারতীয় সংবাদ সংস্থা। ওই রেকর্ড সামনে রেখেই তাঁদের দাবি, পাকিস্তানের এক মহিলাকে এবার বিয়ে করেছে দাউদ ইব্রাহিম। তবে প্রথম পক্ষের স্ত্রী মেহজাবিন শেখের সঙ্গেও বিবাহ বিচ্ছেদ হয়নি তার। প্রথম স্ত্রী মেহজাবিন বহু সময়ই দুবাইতে থাকে। সেখানেই ভাগ্নে আলি শাহ পার্কারের সঙ্গে দেখা হয় তার।

দাউদের পাকিস্তানি বউ

মুম্বই ধারাবাহিক বিস্ফোরণের মাস্টারমাইন্ড দাউদ ইব্রাহিমকে কয়েক দশক ধরে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক মঞ্চে বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসলামাবাদ। তবে, দাউদের ভাগ্নে আলি শাহ পার্কারের বয়ানে ফের একবার সন্ত্রাসে মদতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় প্রমাণ হাতে এসেছে ভারতের। সূত্রের খবর সেপ্টেম্বরে NIA তদন্তকারীদের জেরায় দাউদের ভাগ্নে জানায়, ২০২২ সালের জুলাইতে দুবাইয়ে দাউদের প্রথম স্ত্রী মেহজাবিন শেখের সঙ্গে দেখা হয় হয় আলি শাহ পার্কারের। তখনই মেহজাবিন তাকে জানায়, এক পাকিস্তানি মহিলাকে ফের বিয়ে করেছএ দাউদ! করাচিতেই নতুন সংসার ডনের। হোয়াটঅ্যাপ কলের মাধ্যমে ভারতে থাকা আত্মীয়দের সঙ্গে মেহজাবিন নিয়মিত যোগাযোগ রাখে বলেও জেরায় জানিয়েছে আলি শাহ পার্কার।

কেন দ্বিতীয় বিয়ে দাউদের

দাউদের প্রথম স্ত্রী মেহজাবিন শেখ ডনের বহু দিনের সঙ্গী। পাকিস্তানের বাইরেও তারা যাতায়াত। ভাগ্নে আলি শাহ পার্কারের দাবি, প্রথম স্ত্রী মেহজাবিনের উপর থেকে তদন্তকারীদের নজর ঘোরাতেই দ্বিতীয় বিয়ে করেছে দাউদ। তবে, ডনের পাকিস্তানি স্ত্রীর সম্পর্কে বিশেষ কোনও তথ্য এখনও সামনে আসেনি। এর আগেও পাকিস্তানের একাধিক প্রভাবশালী পরিবারের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক তৈরি করেছে দাউদের পরিবার। ক্রিকেটার থেকে পাকিস্তানি সেনা কর্তা, ISI এজেন্টরা এখন সেই সূত্রে দাউদের আত্মীয়। দাউদের মেয়ে মাহরুখ কাসকারের বিয়ে হয়েছে প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদের ছেলের সঙ্গে। ভাইপো রাজ্জাকের সঙ্গে ISI-এর এক সিনিয়র কর্তার মেয়ের বিয়ে দিয়েছে দাউদ। পাক সেনা বা ISI-কর্তাদের পরিবারে বিয়ে হয়েছে দাউদের পরবর্তী প্রজন্মের অনেকেরই।

আরো পড়ুন- নেপালের পোখারার বিমান দুর্ঘটনাস্থল থেকে আরও ২ দেহ উদ্ধার, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭০

তদন্তকারীদের একাংশের মতে পাকিস্তানের কাছের লোক হতেই সেই দেশের সঙ্গে বারবার বৈবাহিক সম্পর্ক বাড়াচ্ছে দাউদ আর তার পরিবার। ভাইপো, ভাইজিদের পর এবার সেই তালিকায় নাম খোদ দাউদের। পাকিস্তানকে পাশে পেতে সরাসরি সে দেশের জামাই হয়ে বসেছেন ডন।

নেপালের পোখারার বিমান দুর্ঘটনাস্থল থেকে আরও ২ দেহ উদ্ধার, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭০

কাঠমান্ডুঃ নেপালের পোখারার বিমান দুর্ঘটনাস্থল থেকে আরও ২ দেহ উদ্ধার। রবিবার নেপালের কাঠমান্ডু থেকে পোখারায় (Pokhara International Airport) নামার পথে ইয়েতি এয়ারলায়ন্সের বিমানটি অবতরণের প্রায় ২০ মিনিট আগে ভেঙে পড়ে ৷ দুর্ঘটনাস্থল থেকে এখনও পর্যন্ত 70টি দেহ পাওয়া গেল, জানিয়েছে নেপাল পুলিশ ৷ বিমানটিতে যাত্রী ছিলেন ৭২ জন ৷

আরো পড়ুন- পঞ্চায়েত ভোটের আগে বড় ধাক্কা! বিজেপি কংগ্রেস ছেড়ে ১০০০ কর্মী যোগ দিলেন ঘাসফুলে

মুখপাত্র সুদর্শন বারতৌলাকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা জানায়, এটিআর ৭২ ইয়েতি এয়ারলায়ন্স এয়ারক্রাফ্ট (Yeti Airlines flight ATR 72) পুরনো বিমানবন্দর এবং পোখারা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাঝে ভেঙে পড়ে ৷ সোমবার ইয়েতি এয়ারলায়ন্সের ভেঙে পড়া বিমানটির ব্ল্যাক বক্স ও ফ্লাইট ডাটা রেকর্ডার খুঁজে পাওয়া যায় ৷ নেপালের সেনাবাহিনী এই ব্ল্যাক বক্স ও রেকর্ডারটি অসামরিক বিমান পরিষেবা কর্তৃপক্ষের (Nepal’s Civil Aviation Authority) হাতে তুলে দেয় ৷

বিশ্বের প্রথম ১৪টি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের মধ্যে 8টি নেপালে ৷ ছোট্ট এই পাহাড়ি দেশে বারে বারেই এমন ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে ৷ সেফটি ম্যাটার্স ফাউন্ডেশনের (Safety Matters Foundation) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৪৬ সাল থেকে ৪২টি ভয়ঙ্কর বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে নেপালে ৷ অন্নপূর্ণা পর্বতশৃঙ্গের (Annapurna mountain range) প্রবেশপথ পোখারা ৷ তাই পর্যটকদের কাছে এই জায়গাটি জনপ্রিয়৷ এটি ২ হাজার ৭০০ ফুট বা ৮২০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত ৷ মাত্র দু’সপ্তাহ আগে এই পোখারা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন হয়৷ সেই সময় এই এলাকায় পাখির সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন এক বিশেষজ্ঞ৷ এর কাছে দু’টি নদী রয়েছে৷ তাই এখানে বিমানবন্দর তৈরির ফলে বিপদের আশঙ্কা করেছিল বিশেষজ্ঞ মহল ৷

প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে ফাঁসি দিল ইরান

তেহরান: ব্রিটেনের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে ইরানের প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আলিরেজা আকবরিকে ফাঁসি দিল ইরানের সুপ্রিম কোর্ট। ব্রিটেন ও ইরানের দ্বৈত নাগরিকত্ব ছিল তাঁর। আগেই তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো হয়েছিল। শনিবার তা কার্যকর করা হল।

আরো পড়ুন- নেপালে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, ৭২ যাত্রী নিয়ে পোখরায় ভেঙে পড়ল বিমান

ইরানের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, ব্রিটেনের গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে গোপনে কাজ করে রাষ্ট্র বিরোধিতা করেছেন আকবরি। ইরানের অভ্যন্তরীণ খবর তিনি পাচার করছিলেন। দেশের নিরাপত্তার ক্ষতি করার অপরাধে ২০১৯ সালে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। ২০০০ সাল থেকে আট বছর ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। পরবর্তীতে তাঁর বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ওঠে। যদিও তিনি তা অস্বীকার করেন। এ সংক্রান্ত একটি অডিও টেপও প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে আকবরিকে বলতে শোনা গিয়েছে, অভিযোগ মেনে নেওয়ার জন্য ভয়ানক অত্যাচার চালানো হচ্ছে। ওরা যেটা চাইছে, সেটা আমাকে দিয়ে বলানোর জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপ দেওয়া হচ্ছে। আমেরিকার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল জানিয়েছেন, আকবরির মৃত্যুদণ্ড অযৌক্তিক। তাঁকে স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করা হয়েছে। তাঁর মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করেছে ব্রিটেন সরকারও।

নেপালে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা, ৭২ যাত্রী নিয়ে পোখরায় ভেঙে পড়ল বিমান

কাঠমান্ডুঃ নেপালে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা। বিমান দুর্ঘটনায় এখনো পর্যন্ত অন্তত ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা এএফপি। কাঠমাণ্ডু থেকে পোখরাগামী ওই বিমানে মোট ৭২ জন সওয়ারি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৪ জন বিমানের চালক এবং ক্রু সদস্য। এএফপি জানিয়েছে, এঁদের অধিকাংশেরই বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে।

এএফপির দেওয়া তথ্য বলছে, বিমানে ৫৩ জন নেপালি এবং ৫ ভারতীয়-সহ ১৫ জন বিদেশি যাত্রী ছিলেন। এই বিদেশিদের মধ্যে ছিলেন ৪ জন রাশিয়ান, ২ কোরিয়ার নাগরিক এবং আর্জেন্টিনা, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও ফ্রান্স থেকে ছিলেন একজন করে। যাত্রীদের মধ্যে ছিল ৬ জন শিশুও। মোট ৬৮ জন যাত্রীর মধ্যে ২জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। 

নেপালে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা

দুর্ঘটনাগ্রস্ত বিমানটি ছিল টুইন ইঞ্জিন চালিত এটিআর ৭২। এই বিমান পরিচালনার দায়িত্বে ছিল নেপালের ইয়েতি এয়ারলাইন্স। বিমানটিতে ৭২ জনেরই বসার আসন। সবক’টিতেই যাত্রী ছিলেন। রবিবার সকাল ১১ টা নাগাদ নেপালের পোখরা বিমানবন্দরের কিছু আগে ভেঙে পড়ে বিমানটি। তার কিছু ক্ষণের মধ্যেই ওই বিমানের পোখরায় অবতরণ করার কথা ছিল।

সকাল ১০টা ৩৩ মিনিট নাগাদ কাঠমাণ্ডুর ত্রিভুবন  আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমানটি ওড়ে। কাঠমাণ্ডু থেকে পোখরার এই যাত্রাপথ ২৫ মিনিটের। দুর্ঘটনাটি ঘটে ওড়ার ২০ মিনিট পর। 

যদিও, নেপালে এই ধরনের দুর্ঘটনা নতুন কিছু নয় ৷ ইতিহাস বলছে, শুধুমাত্র ঘরোয়া বিমান নয়, নেপালে একাধিকবার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বহু বিদেশি ও আন্তর্জাতিক উড়ান ৷ পরিসংখ্যান ধরলে দেখা যাবে, গত 30 বছরেরও বেশি সময় ধরে নেপালে অন্তত 27টি ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা (Nepal Plane Crash History) ঘটেছে ৷ যার মধ্যে 20টিকে সাম্প্রতিক সময়ের সবথেকে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা বলে চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা ৷ ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মতো আন্তর্জাতিক বিমান যেমন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে, তেমনই ঘরোয়া উড়ান পরিষেবার আওতাভুক্ত তারা এয়ারের বিমানও ভেঙে পড়েছে নেপালে ৷

Lulo Rose: আফ্রিকার খনি থেকে মিলল বিরলতম Lulo Rose, যেন স্বপ্ন..

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে একটি বিশাল সাইজের গোলাপি হিরের ছবি। জানা গিয়েছে যে বিগত ৩০০ বছরে এমন হিরে পাওয়া যায়নি। এটাই এখন বিশ্বের সবথেকে বড় হিরে। মাটি খুঁড়ে এমন একটি হিরে দেখতে পেয়ে চমকে ওঠেন সেখানকার শ্রমিকরা। কারণ গোলাপি রঙের সেই হিরে ১৭০ ক্যারাটের। অতিবিরল গোলাপি রঙের বিশাল সাইজের হিরে দেখে চোখ কপালে উঠেছে নেটিজেনদের।

আরো পড়ুন- BSNL: ঢেলে সাজানো হবে বিএসএনএলকে, সংস্থায় ১.৬৪ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করছে কেন্দ্র

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সেই গোলাপি রঙের হিরের ছবি শেয়ার করা হয়েছে টুইটারে। @lucapa_lom নামের একটি প্রোফাইল থেকে টুইটারে শেয়ার করা হয়েছে ভাইরাল হওয়া সেই হিরের ছবি। ১৭০ ক্যারেটের এই হিরে এখন এক বিস্ময় হয়ে হাতে এসেছে। এর নাম রাখা হয়েছে লুলো রোজ (Lulo Rose)। প্রসঙ্গত রোজ তার গোলাপি আভার জন্য, আর লুলো ওই জায়গার নামের কারণে, যেখান থেকে হিরেটি পাওয়া গিয়েছে।

আফ্রিকার অ্যাঙ্গোলার উত্তরপূর্ব অংশে রয়েছে একের পর এক হিরের খনি। যেখানে রয়েছে প্রচুর হিরের সম্ভার। সেখানেই একটি হিরের খনি থেকে হিরে উত্তোলনের দায়িত্বে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার একটি সংস্থা।

তারাই জানিয়েছে তাদের খনি থেকে একটি গোলাপি হিরে পাওয়া গিয়েছে যা ১৭০ ক্যারেটের। এটাই অদ্যাবধি বিশ্বের সবচেয়ে বড় গোলাপি হিরে।

হিরেটি পাওয়ার পর এই খবর বিশ্বের তাবড় সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। অ্যাঙ্গোলা সরকারও তাদের দেশে এই হিরে পাওয়ার জন্য গর্বিত বলে জানিয়েছে।

এত বড় হিরে, তাও আবার অতিবিরল গোলাপি হিরে, এও সম্ভব। মাটি খুঁড়ে সেটি পাওয়া গিয়েছে, যা দেখে চক্ষু ছানাবড়া সকলের। হিরেটির দাম কত হতে পারে সেই বিষয়ে এখনও নির্দিষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। কিন্তু, এর দাম যে এক বিশাল অঙ্ক হতে চলেছে তা বলাই বাহুল্য।

গাঁজা চাষকে বৈধ ঘোষণা করল এই দেশ! এশিয়াতে প্রথম

গাঁজা চাষকে বৈধ ঘোষণা করলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড। এখন থেকে দেশটিতে গাঁজা উৎপাদন এবং বিক্রির উপরে আর কোনো নিষেধাজ্ঞা থাকছে না। এছারা গাঁজাকে নিষিদ্ধ মাদকের তালিকা থেকেও সরিয়ে নিয়েছে থাই সরকার। এ অঞ্চলে থাইল্যান্ডই প্রথম দেশ যে এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।

আরো পড়ুন- পয়গম্বরকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, নুপুরদের গ্রেপ্তারির দাবি মমতার

মূলত মাদক দ্রব্য হিসাবে পরিচিত হলেও বর্তমানে চিকিৎসাক্ষেত্রেও বাড়ছে গাঁজা গাছ থেকে প্রাপ্ত একাধিক উপাদানের ব্যবহার। সেই কথা মাথায় রেখেই এ বার গাঁজা চাষকে বৈধ ঘোষণা করল থাইল্যান্ড। ইউরোপ ও আমেরিকার কিছু দেশে গাঁজা চাষ বৈধ হলেও এশিয়াতে এমন সিদ্ধান্ত এই প্রথম।

এর আগে ২০১৮ সালে চিকিৎসার জন্য গাঁজা মজুত রাখাকে আইনত স্বীকৃতি দেয় থাইল্যান্ড। কিন্তু গাঁজা চাষ বৈধ না হওয়ায়, অবৈধ উপায়ে গাঁজা আমদানি বাড়ছিল দেশ জুড়ে। সেই সমস্যা নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ কিছুটা হলেও সহায়তা করবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। এমনকি বৈধ ভাবে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের ১০ লক্ষ গাঁজা গাছের চারা বিলি করা হবে বলে জানানো হয়েছে থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে। নাগরিকরা যাতে গাঁজা চাষে আগ্রহী হয় সে জন্য প্রচারণাও চলছে। এ নিয়ে থাইল্যান্ডের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চর্নভিরাকুল বলেন, গাঁজা থেকে আয় করার জন্য দেশ ও দেশের জনগণের জন্য এটিই সুযোগ।

Russia Ukraine War: যুদ্ধ আবহে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেতে পারেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি, সুপারিশ ইউরোপের

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির নাম ২০২২ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনীত করার আবেদন জমা পড়ল নোবেল কমিটিতে। নরওয়ের নোবেল কমিটিকে এই আবেদনটি করেছেন ইউরোপের বিভিন্ন প্রাক্তন এবং বর্তমান রাজনীতিবিদরা। পাশাপাশি এই কমিটিকে মনোনয়ন প্রক্রিয়া মার্চ মাসের ৩১ তারিখ অবধি বাড়ানোর জন্যও অনুরোধ জানিয়েছেন তাঁরা।

আরো পড়ুন- রুশ রকেট হানায় প্রাণ হারালেন ইউক্রেনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ওকসানা শভেটস

সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, শান্তি পুরস্কারের জন্য জেলেনস্কির নাম প্রস্তাব করে মার্চের ১১ তারিখ এক যৌথবিবৃতি জারি করেন ইউরোপের বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ ও কুটনীতিকরা। নরওয়ের নোবেল কমিটির কাছে পেশ করা ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমরা নোবেল কমিটির কাছে ২০২২ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন প্রক্রিয়া ফের শুরু করার আবেদন জানাচ্ছি। সেই সময় যেন বাড়িয়ে ৩১ মার্চ করা হয়। ইউক্রেনের মানুষের কথা মাথায় রেখে শান্তি পুরস্কারের জন্য প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির নাম মনোনীত করা যেতে পারে।” বলে রাখা ভাল, এই বছর ৩ থেকে ১০ অক্টোবরের মধ্যে নোবেল প্রাইজ জয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। এবছরের শান্তি পুরস্কারের দৌড়ে রয়েছেন ২৫১ জন ও ৯২টি সংস্থা।

এদিকে, শান্তি পুরস্কারের জন্য জেলেনস্কির নাম প্রস্তাব ঘিরে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। কূটনীতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, ইউরোপীয় নেতাদের এহেন পদক্ষেপ রুশবিরোধী প্রোপাগান্ডা ছাড়া কিছুই নয়। কারণ, পাঁচবার নাম মনোনীত হওয়ার পরও সত্যাগ্রহের জনক মহাত্মা গান্ধীকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়নি। কিন্তু, এদিকে ১৯৭৩ সালে ভিয়েতনাম যুদ্ধ চলাকালীন তৎকালীন মার্কিন বিদেশ সচিব হেনরি কিসিংগারকে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়। মনে রাখা দরকার, কিসিংগারের নির্দেশেই হ্যানয় শহরকে বোমা মেরে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল মার্কিন যুদ্ধবিমান। তাই নোবেল কমিটির সিদ্ধান্ত ও পুরস্কার জয়ীদের কৃতিত্ব নিয়েও যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ রয়েছে বলেই মত বিশ্লেষকদের একাংশের।

উল্লেখ্য, যত সময় যাচ্ছে ততই চাপ বাড়ছে পুতিনের উপরে। ইতিমধ্যেই ব্রিটেন রাশিয়াকে তোপ দেগে দাবি করেছে, রাশিয়া ইউক্রেনে যা করছে তা যুদ্ধাপরাধ। সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে তারা। এর আগে মঙ্গলবার ক্রেমলিনের আগ্রাসনের নিন্দা করে সর্বসম্মত ভাবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধাপরাধী বলে ঘোষণা করে আমেরিকার সেনেট। রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বিষয়টি প্রস্তাব করলে দলের দুই সেনেটর তাঁকে সমর্থন জানান।

রুশ রকেট হানায় প্রাণ হারালেন ইউক্রেনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ওকসানা শভেটস

বাংলাহান্ট ডেস্ক: রুশ রকেট হানায় এবার প্রাণ হারালেন ইউক্রেনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ওকসানা শভেটস (Oksana Shvets)। শুক্রবার অভিনেত্রীর দল ‘ইয়ং থিয়েটার’ একটি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, কিভের একটি আবাসিক ভবনে রাশিয়ার রকেট হানায় নিহত হয়েছেন ইউক্রেনীয় শিল্পী ওকসানা শভেটস (Ukrainian actor Oksana Shvets)।

আরো পড়ুন- শিশুদের স্বাস্থ্য নিয়ে কার্যত ছেলেখেলা! ৪১০ শিশুকে মেয়াদ পেরোনো টিকা! ক্যাগ রিপোর্ট

সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, অভিনেত্রী ওকশানা শভেটসের বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। কয়েক মাস আগেই অভিনেত্রীকে ইউক্রেনের সর্বোচ্চ সম্মান ‘অনার্ড আর্টিস্ট অফ ইউক্রেন’ প্রদান করা হয়েছিল। থিয়েটারের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন অভিনেত্রী। ওকসানার বেশ কিছু ছবি দেশি-বিদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কারও জিতে নিয়েছিল।

দেখতে দেখতে তিন সপ্তাহ অতিক্রান্ত। এখনও রাশিয়ার (Russia) সঙ্গে লড়াই করে চলেছে ইউক্রেন (Russia-Ukraine War)। যদি যুদ্ধ আরও দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগ করতেও পিছপা হবে না রাশিয়া। এমনই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আমেরিকা (US)।

আরো পড়ুন- রাজ্যবাসীকে দোলের শুভেচ্ছা জানিয়ে একতার বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

উল্লেখ্য, যত সময় যাচ্ছে ততই চাপ বাড়ছে পুতিনের উপরে। ইতিমধ্যেই রাশিয়াকে তোপ দেগে ব্রিটেন দাবি করেছে, ইউক্রেনে রাশিয়া যা করছে, তা যুদ্ধাপরাধ। সাধারণ নাগরিকদের লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে তারা। এর আগে মঙ্গলবার ক্রেমলিনের আগ্রাসনের নিন্দা করে সর্বসম্মত ভাবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে যুদ্ধাপরাধী বলে ঘোষণা করে আমেরিকার সেনেট। রিপাবলিকান সেনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম বিষয়টি প্রস্তাব করলে দলের দুই সেনেটের তাঁকে সমর্থন জানান।

এদিকে ইউক্রেনকে কোটি কোটি টাকার অত্যাধুনিক হাতিয়ার দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। ইউক্রেনকে অস্ত্র দিলে তা যুদ্ধের সামিল মনে করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে রাশিয়া। সম্প্রতি মার্কিন অস্ত্রবোঝাই গাড়িতে হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে মস্কো। ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর থেকেই রাশিয়ার বিরুদ্ধে কিয়েভকে অস্ত্রের জোগান দিচ্ছে ওয়াশিংটন। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ইউক্রেনের হাতে প্রায় ১২০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম তুলে দিয়েছে আমেরিকা। ফলে এবার খড়্গহস্ত মস্কো।

অবিকল মানুষের মত ঠোঁট-দাঁত যুক্ত বিরল মাছ, মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও

প্রকৃতি হল এক রহস্যের ভান্ডার। প্রকৃতি তার এই ভান্ডারে কত কি যে লুকিয়ে রেখেছে তার বেশিরভাগই এখনও মানুষের অজানা। প্রতিদিনই কিছু না কিছু বিস্ময়কর তথ্য আমাদের সামনে আসছে, আর তা দেখে আমরা রীতিমতো অবাক হয়ে যায় যে এরম কিছু জিনিসও পৃথিবীতে আছে ভেবে। এবারও সেরকমই হল। আরও একবার দেখা গেল মানুষের মতো ঠোঁট-দাঁত যুক্ত বিরল মাছ।

আরো পড়ুন- Philippines BrahMos: ভারত থেকে ব্রহ্মস মিসাইল কেনার অনুমোদন দিল ফিলিপাইনস

এর আগেও মানুষের মতো দেখতে মাছ দেখা গিয়েছিল। কিন্তু সেবার জলের একটু নিচে দেখা গিয়েছিল সেটিকে। অল্প সময়ের মধ্যে একজন সেই মাছের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিয়েছিলেন। ছবি খুব একটা স্পষ্ট ছিল না। ফলে ওই ছবি নিয়ে ধোয়াঁশা ছিল। তবে এবার ব্যাপারটা আলাদা। মানুষের মতো দেখতে মাছ ধরা পড়েছে। ফলে সেটিকে খুব কাছ থেকে দেখা ও যাচাই করার সুযোগ ছিল। একেবারে মানুষের মতো দাঁত ও ঠোঁট। মুখের গড়ন অনেকটাই মানুষের মতো। সেই মাছের ছবির সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হতেই অনেকে সেটিকে ফটোশপ এর মাধ্যমে আরও বেশি মানুষের মতো আকৃতি দিতে লেগে পড়েন।

জানা গিয়েছে, এই ধরনের মাছ এশিয়ার দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের অনেক জলাশয়ে দেখা যায়। এই ধরনের মাছকে বলা হয় ট্রিগার ফিশ। মাছটির শরীরে দুটি রং স্পষ্ট। আর এই দুটো রঙকে আলাদা করেছে লাল রঙের একটি রেখা। ঠোঁটের ওপর দিক দিয়ে শরীরের নিচের অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত সেই লাল রেখা। মাছটির মুখ লম্বা। চোখের সামনে ধূসর রঙের বর্ডার দেখতে অনেক টা বেল্ট এর মতো।

দেখুন ভিডিও-