রাম মন্দির আন্দোলন স্বাধীনতার চেয়েও বড় আন্দোলন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুরেন্দ্র জৈনের এমনই মন্তব্যের জেরে ঘনিয়েছে বিতর্ক। তাঁর মতে, ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীনতা পেয়েছিল। কিন্তু রাম মন্দির (Ram Mandir) আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা এসেছে। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস-সহ বহু বিরোধী দলকে এই মন্তব্যের বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে।
আরো পড়ুন- ভারতে জিও-র থেকেও কম খরচে ইন্টারনেট পরিষেবা চালু করতে চলছে ধনকুবের ইলন মাস্কের সংস্থা স্টারলিংক
কী বলেছিলেন সুরেন্দ্র জৈন? তাঁর একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ”১৯৪৭ সালে দেশ রাজনৈতিক স্বাধীনতা পেয়েছিল। কিন্তু রাম মন্দির আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই ভারত ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা অর্জন করেছে।” সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, রাম মন্দির নির্মাণের পথ ধরেই রামরাজ্য হওয়ার দিকে এগোচ্ছে দেশ। এই আন্দোলন দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের চেয়েও বড় বলেও মন্তব্য তাঁর। তাঁর মতে, এই যুগ রামের। রাম মন্দির নির্মিত হয়ে গেলে দেশের ভবিষ্যৎ আরও মজবুত হবে। মন্দিরের তহবিল গড়তে যে দান অভিযান হয়েছিল, তা গোটা দেশকে এক সূত্রে বেঁধেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। যা থেকে প্রমাণিত, রামই দেশকে একজোট করতে পারেন। ধর্ম নিরপেক্ষ রাজনীতি কেবল দেশকে বিভাজিতই করেছে বলে মত সুরেন্দ্রর।
স্বাভাবিক ভাবেই এমন মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে। কংগ্রেসের মতো বিরোধী দলগুলির মতে, যেহেতু স্বাধীনতা আন্দোলনে সঙ্ঘ পরিবারের কোনও ভূমিকা ছিল না তাই সেই আন্দোলনের চেয়ে রাম মন্দির প্রসঙ্গকে এগিয়ে রেখে এগোতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

৫৪,২৮২ কোটি টাকার হিসেব নেই মোদী সরকারের! ক্যাগের রিপোর্টে বড় কেলেঙ্কারির ইঙ্গিত!

ভাইরাল ভিডিয়োয় তোলপাড়, ভোটের মুখে হুমায়ুনকে ছেড়ে জোট ভাঙল AIMIM

বাবরি মসজিদ নিয়ে মুসলমানদের বোকা বানাচ্ছে হুমায়ুন, বিজেপির সঙ্গে ১০০০ কোটি টাকার ডিল

ভোটের আগে তৃণমূলের ‘স্পেশাল ৪০’, আগামী সপ্তাহ থেকেই জেলায় জেলায় প্রচার শুরু

দেশকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন, তবু ভোটার তালিকায় ‘বিচারাধীন’ রিচা ঘোষ! নড়েচড়ে বসল কমিশন

আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই

বাঙ্কার বাস্টার–টমাহকের আঘাতে কাঁপল ইরান, হামলার ফুটেজ প্রকাশ ইজরায়েলের

Iran Missile Strike: ইরানের হামলার পরেই খালি করা হচ্ছে বুর্জ খলিফা?

পশ্চিম এশিয়ায় একাধিক দেশে হামলা ইরানের! উদ্বেগে বিশ্ব

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ: কমেছে মোট সংখ্যা, ৬০ লক্ষের বেশি নাম এখনও বিচারাধীন