

বিজেপিতে ক্রমেই বাড়ছে ক্ষোভ! দলের অন্দরের সমীকরণ অন্তত এমনটাই বলছে। এ বার দলত্যাগ করলেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি তনুশ্রী রায়।
আরো পড়ুন- ত্রিপুরায় ফের পুলিশি বর্বরতা, আটকে দেওয়া হলো তৃণমূলের রাজভবন অভিযান, আটক ৫০০
বুধবার, রাজ্য বিজেপির বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগড়ে দল ছাড়েন তনুশ্রী। কেন দলত্যাগ করলেন মোর্চা নেত্রী?
তাঁর কথায়, “বিজেপির চলন বাঁকা। তৃণমূলের বি-টিম এটি! শাসকদলের সঙ্গে কোনও ফারাক নেই বিজেপির কর্মকাণ্ডের। সেই কারণেই আমি বিজেপি ত্যাগ করলাম। ” বুধবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্য়ান্ডেলে পদত্যাগপত্রের ছবিও পোস্ট করেন তনুশ্রী।
২০০৮ সাল থেকে বিজেপির সক্রিয় সদস্য হিসাবে কাজ করছেন তনুশ্রী রায়। ২০১৩ সালে রাজ্য মহিলা মোর্চার সভাপতি হন। জেলার নানা দলের কাজে একেবারে প্রথম সারিতেই দেখা যেত তাঁকে। তবে বুধবার সেই প্রথম সারির নেত্রীই যেন বোমা ফাটালেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করলেন পদত্যাগপত্রের ছবি। বঙ্গ বিজেপির বিরুদ্ধে উগড়ে দিলেন ক্ষোভ। দলত্যাগের সিদ্ধান্ত কেন নিলেন, সে কারণও ব্যাখ্যা করেন বিজেপি নেত্রী। তাঁর কথায়, “তৃণমূলের বি টিম বিজেপি। তৃণমূল ও বিজেপির কাজে কোনও ফারাক আর নেই। বিজেপির চলন বাঁকা। সে কারণেই বিজেপি ত্যাগ করলাম।”
স্ত্রী দল ছেড়ে দিয়েছেন ঠিকই। তবে দলত্যাগের প্রসঙ্গে একটি শব্দও খরচ করেননি বিজেপির বর্তমান জেলা সভাপতি নবারুণ নায়েক। এ বিষয়ে একটি মন্তব্যও করতে চান না বলেই প্রসঙ্গ এড়িয়েছেন। ঘনিষ্ঠ মহলে নাকি স্বামীর এহেন প্রতিক্রিয়ার পালটা জবাবও দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, নবারুণ নায়েক যথেষ্ট গুরুত্ব পান দলে। তবে তিনি নিজে গুরুত্ব পান না। সে কারণেই দলত্যাগ। এদিকে, তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় আবার দাবি করেছেন তিনি নাকি দলত্যাগের ব্যাপারটি জানেনই না।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি, বিজেপির অন্দরের ক্ষোভ প্রকাশ্যে এসেছে। নানা কারণে, একের পর এক বিধায়ক হোয়াটস্যাপ গ্রুপ ত্যাগ করেছেন। সদ্যই, গ্রুপ ছেড়েছেন খড়গপুর সদরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। দলীয় গ্রুপ ত্যাগ করেছেন সাংসদ শান্তনু ঠাকুরও। শান্তনুর আগে বিজেপির পাঁচ বিধায়ক গ্রুপ ত্যাগ করেন। এ বার সরাসরি দলত্যাগ করলেন প্রাক্তন মোর্চা নেত্রী।
গত মঙ্গলবার দিনভর বিজেপির অন্দরে যা ঘটেছে, তাতের দলের অন্দরের চিড় আরও প্রকট হয়েছে। একদিকে দেখা গিয়েছে শান্তনু ঠাকুরকে তাঁর ঘনিষ্ঠদের নিয়ে আলাদা করে বৈঠক করেছেন। অন্যদিকে, জয়প্রকাশ মজুমদারের বাড়িতে রাজ্য কমিটি থেকে বাদ পড়া বিক্ষুব্ধ প্রবীণ নেতারা বৈঠক করেছেন। সব মিলিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলের কোন্দল প্রকট হয়ে উঠেছে।
আবার বিজেপির মতুয়া শিবিরে ভাঙন রুখতে তৎপর হয় রাজ্য নেতৃত্ব। এক দিকে যখন মঙ্গলবার বিজেপির মতুয়া প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে বসেন সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তার আগেই বনগাঁ দক্ষিণের বিধায়ক স্বপন মজুমদারের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এ দিকে, জল্পনা উস্কে দিয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, ‘শান্তনু ঠাকুর বা অন্যান্য বিক্ষুব্ধরা অদূর ভবিষ্যতে বিজেপিতে থাকবে না।’

ডলারের বিকল্প পথে কি BRICS? ডিজিটাল মুদ্রা সংযোগের প্রস্তাব দিল RBI

প্রোটোকল ভেঙে ‘বিশেষ বন্ধুত্বের’ বার্তা: বিমানবন্দরে ইউএই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে নিজে হাজির মোদি

“শারীরিক মিলনের আগে এই ৩ ভুল একেবারেই নয়”

আর্মেনিয়ার পথে ভারতের পিনাকা, প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে নতুন মাইলফক

কাঁচরাপাড়া দিনবসু লেনের মুখে গভীর রাতে বাইক দুর্ঘটনা, গুরুতর জখম যুবক

মাসিক হওয়ার কতদিন পর সহবাস করলে বাচ্চা হতে পারে?

ছয় দশক পরে বড় কৌশলগত সাফল্য! পূর্ব লাদাখে হারানো জমিতে ফের টহলাধিকার পেল ভারত

Ajit Doval: ‘আমাদের মন্দির লুট হয়েছিল, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিশোধ নিতে হবে’—বার্তা ডোভালের

তেহরানের রাস্তায় লাখো মানুষের ঢল, বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ইন্টারনেট

যুদ্ধের সংজ্ঞা বদলাচ্ছে: মাল্টি-ডোমেইন অপারেশনের পথে ভারতীয় সেনার স্পেশাল ফোর্স