বাংলা হান্ট ডেক্সঃ করোনা টিকা নেওয়া থাকলে শরিরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্তত এক বছর তো থাকবেই, এমনকি, গোটা জীবনকাল ধরেও তা রোগ প্রতিরোধে সক্ষম। এমনই বলছে সাম্প্রতিক দুই গবেষণা। টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে অনেকে দাবি করেছেন, শরীরে টিকা থেকে তৈরি হওয়া রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বেশি দিন স্থায়ী হবে না। সেই দাবিকে কার্যত খারিজ হয়ে যাচ্ছে এই দুই রিপোর্টে।
রিপোর্টে বলা হয়েছে , কোভিডে আক্রান্ত হয়ে যাঁরা করোনা টিকা নিয়েছেন তাঁদের আর দ্বিতীয় বার অর্থাৎ ‘বুস্টার’ টিকা নেওয়ার দরকার নেই। কিন্তু যাঁরা কোভিডে আক্রান্ত না হয়েও টিকা নিয়েছেন বা যাঁরা আক্রান্ত হয়েছিলেন, অথচ শরীরে সে ভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠেনি, তাঁদের হয়তো ‘বুস্টার’ টিকা নিতে হতে পারে। ‘নেচার’ জার্নালে প্রকাশিত একটি রিপোর্টে বলা হচ্ছে, কোভিড আক্রান্তের শরীরে যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়, তার একটা স্মৃতি বা ছাপ থেকে যায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অস্থি-মজ্জায়, যা প্রয়োজনে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে সক্ষম। অন্য একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, প্রথম বার আক্রান্ত হওয়ার পর প্রায় এক বছর ধরে বি-কোষের শক্তিবৃদ্ধি ঘটে। তার পর যদি টিকাও নেওয়া হয়, তা হলে শরীরে এক ধরনের যৌথ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে, যা ভাইরাসের বিভিন্ন প্রজাতিকে রুখে দিতে সক্ষম হয়।
গবেষকরা বলছেন, বি-কোষ বহু দিন ধরেই স্থায়ী হয়। ফলত দীর্ঘ দিন তা রোগ প্রতিরোধে সক্ষম হয়। তবে সকলের ক্ষেত্রেই যে একই ধরনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে, তা নয়। আর সেই কারণেই টিকা নেওয়া জরুরি। এমনই অভিমত গবেষকদের।

৫৪,২৮২ কোটি টাকার হিসেব নেই মোদী সরকারের! ক্যাগের রিপোর্টে বড় কেলেঙ্কারির ইঙ্গিত!

ভাইরাল ভিডিয়োয় তোলপাড়, ভোটের মুখে হুমায়ুনকে ছেড়ে জোট ভাঙল AIMIM

বাবরি মসজিদ নিয়ে মুসলমানদের বোকা বানাচ্ছে হুমায়ুন, বিজেপির সঙ্গে ১০০০ কোটি টাকার ডিল

ভোটের আগে তৃণমূলের ‘স্পেশাল ৪০’, আগামী সপ্তাহ থেকেই জেলায় জেলায় প্রচার শুরু

দেশকে বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন, তবু ভোটার তালিকায় ‘বিচারাধীন’ রিচা ঘোষ! নড়েচড়ে বসল কমিশন

আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই

বাঙ্কার বাস্টার–টমাহকের আঘাতে কাঁপল ইরান, হামলার ফুটেজ প্রকাশ ইজরায়েলের

Iran Missile Strike: ইরানের হামলার পরেই খালি করা হচ্ছে বুর্জ খলিফা?

পশ্চিম এশিয়ায় একাধিক দেশে হামলা ইরানের! উদ্বেগে বিশ্ব

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ: কমেছে মোট সংখ্যা, ৬০ লক্ষের বেশি নাম এখনও বিচারাধীন