

অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রকে সহযোগিতা করে না বাংলা’! মঙ্গলবার অসমের বিজেপি সরকারের বর্ষপূর্তির অনুষ্ঠানে এই দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। অন্যদিকে, অনুপ্রবেশ (Infiltration) রুখতে অসমের (Assam)বিজেপি সরকারের প্রশংসা করেন তিনি। এর পাশাপাশি, অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলায় কোনও সমর্থন পাওয়া যায় না বলেও দাবি করেন তিনি।
আরো পড়ুন- সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে গেলেন মদন, পড়ে গেল নাতিও! ভাইরাল ভিডিও
অসম থেকে বাংলাকে নিশানা শাহের
দু’দিনের অসম সফরে এসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নেন শাহ। অসম পুলিশের (Assam Police) হাতে তুলে দেন ‘প্রেসিডেন্টস কালার’। কর্মসূচির ফাঁকে তিনি অসমের বিজেপি (BJP) সরকারের ভূয়সী প্রশংসা করেন। জানান, অনুপ্রবেশ রুখতে দারুণ কাজ করছে অসম সরকার। সে প্রসঙ্গেই বাংলাকে আক্রমণ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, অনুপ্রবেশ রুখতে কেন্দ্রের সঙ্গে বাংলা মোটেও সহযোগিতা করছে না। শাহ বলেন, “অনুপ্রবেশ সমস্যা রুখতে বদ্ধপরিকর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। কিন্তু এ বিষয়ে বাংলার তরফে সহযোগিতা মিলছে না। অন্যদিকে, কেন্দ্রের পিছনে পাহাড়ের মতো অটল হয়ে দাঁড়িয়েছে অসম। সমস্যার মোকাবিলা করছে কড়া হাতে। তার ফলও পাচ্ছে। বেআইনি অনুপ্রবেশ উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।” শাহর দাবি, সোমবার তিনি রাজ্যের মানকাছাড়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গিয়েছিলেন। সেখানে তথ্য পেয়েছেন, গত ছ’বছরে অনুপ্রবেশ অনেকটাই কমেছে। শীঘ্রই তা একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে বলে শাহ দাবি করেন। অসম সরকার রাজ্যে গরু পাচারও বন্ধ করতে পেরেছে বলে শাহর দাবি।
এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলার শাসকদল। তৃণমূল কংগ্রেসের জাতীয় মুখপাত্র তথা সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়ের অভিযোগ, বিএসএফ (কেন্দ্রীয় সরকার দ্বারা পরিচালিত) দায়িত্বে অবহেলা করে বলেই সীমান্তে অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান ঘটছে। তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক অতীতে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজন বিএসএফ কর্তাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।
রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, “উনি কী বলে গেলেন মিথ্যার ঝুড়ি নিয়ে, সেসব বলে লাভ নেই। অনুপ্রবেশ-টনুপ্রবেশ নিয়ে পরে হবে। আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কাশীপুর ইস্যুতে জবাব দিন।”
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বাংলায় দু’দিনের সফরে এসেও অনুপ্রবেশ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে কাঠগড়ায় তুলতে দেখা যায় শাহকে। রাজ্যে বিজেপি নেতাদের মুখে যখন কথা কথায় ৩৫৫ কিংবা ৩৫৬ ধারা জারির কথা শোনা যাচ্ছে, সেই সময় হিঙ্গলগঞ্জে বিএসএফ-এর অনুষ্ঠানে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন শাহ। বলেন, “অনুপ্রবেশ এবং চোরাচালান স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য ছাড়া রোখা মুশকিল। সেই সাহায্যও খুব তাড়াতাড়ি পাওয়া যাবে এমন রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত এখানে তৈরি হবে। জনতার এমন চাপ তৈরি হবে যে, সাহায্য করতেই হবে।”
এর পাল্টা শাহকে কড়া জবাব দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “অমিত শাহ আগুন নিয়ে খেলবেন না। বিএসএফকে রাজ্যের এক্তিয়ারের মধ্যে অনুপ্রবেশ করতে বলবেন না। প্ররোচনা দেওয়া বন্ধ করুন। আপনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আপনার কাজ গরু পাচার, কয়লা পাচার বন্ধ করা। ইডি, সিবিআই, আইটিকে বাড়িতে বসে কাজে লাগানোর বাইরেও কোনও কাজ করুন।”

ডলারের বিকল্প পথে কি BRICS? ডিজিটাল মুদ্রা সংযোগের প্রস্তাব দিল RBI

প্রোটোকল ভেঙে ‘বিশেষ বন্ধুত্বের’ বার্তা: বিমানবন্দরে ইউএই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে নিজে হাজির মোদি

“শারীরিক মিলনের আগে এই ৩ ভুল একেবারেই নয়”

আর্মেনিয়ার পথে ভারতের পিনাকা, প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে নতুন মাইলফক

কাঁচরাপাড়া দিনবসু লেনের মুখে গভীর রাতে বাইক দুর্ঘটনা, গুরুতর জখম যুবক

মাসিক হওয়ার কতদিন পর সহবাস করলে বাচ্চা হতে পারে?

ছয় দশক পরে বড় কৌশলগত সাফল্য! পূর্ব লাদাখে হারানো জমিতে ফের টহলাধিকার পেল ভারত

Ajit Doval: ‘আমাদের মন্দির লুট হয়েছিল, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিশোধ নিতে হবে’—বার্তা ডোভালের

তেহরানের রাস্তায় লাখো মানুষের ঢল, বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ইন্টারনেট

যুদ্ধের সংজ্ঞা বদলাচ্ছে: মাল্টি-ডোমেইন অপারেশনের পথে ভারতীয় সেনার স্পেশাল ফোর্স