

বাংলা হান্ট ডেস্ক; সামনেই বিধানসভা ভোট। তাই তিন জেলা নিয়ে জটিলতা অব্যাহত রেখেই নিজেদের মধ্যে আসন সমঝোতা করে ফেলল বাম কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার বিধান ভবনে জোটের বৈঠকে ঠিক হয়েছে, ২০১৬র বিধানসভায় যে কটি আসনে কংগ্রেস লড়াই করেছিল, সেই ৯২টি আসনই তাদের ছাড়া হবে। বামেরা লড়বে ১০১টি আসনে। সবমিলিয়ে ২৯৪টি আসনের মধ্যে ১৯৩ টি আসনে বাম-কংগ্রেস লড়ছে। বাকি ১০১টি আসন নিয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। এদিনের বৈঠকে ব্রিগেডের চূড়ান্ত দিনক্ষণ স্থির হয়েছে। আাগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেডে বিশাল জনসভা করবে বাম-কংগ্রেস। সূত্রের খবর, সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হবে রাহুল ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে আসন সমঝোতা হয়ে যাবে, বিজেপিকে রুখতে হবে বলে জানিয়েছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার সময় কংগ্রেসের রাজ্য সদর দফতর, বিধান ভবনে আসেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্ররা। বৈঠক হয় ৪০ মিনিট ধরে। সূত্রের খবর, বৈঠকে ঠিক হয়, ১৯৩টি আসনের মধ্যে বামেরা ১০১ এবং কংগ্রেস ৯২টি আসনে লড়বে। এর মধ্যে গতবার ৪৪টি-তে কেন্দ্রে জয়ী হয় কংগ্রেস। ৪৮টি আসনে তারা হয়েছিল দ্বিতীয়। বামেরা জিতেছিল ৩৩টি আসনে। ৬৮টিতে তারা দ্বিতীয় হয়েছিল। বাদবাকি আসন নিয়ে ৭ ফেব্রুয়ারি ফের বৈঠক হবে। সূত্রের খবর, ওই ১০১টি কেন্দ্রে, কে কোথায় লড়াই দিতে পারবে, সেই ফর্মুলা অনুযায়ী আসনে ভাগাভাগি করা হবে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, প্রথম ধাপে ৭৭টির সঙ্গে আরও কংগ্রেস ৪৮ এবং বামেরা আরও ৬৮টি, অর্থাৎ ১৯৩টি আসনে আমরা সমঝোতা করে ফেলেছি। সূত্রের দাবি, ইতিমধ্যেই কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় নেতারা। এরপরই ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথ ব্রিগেডের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হয়েছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে জোট না হলেও, ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা করে ভোটে লড়ে বাম ও কংগ্রেস। সূত্রের খবর, সেবার ১৪৮ আসনে প্রার্থী ছিল সিপিএমের। কংগ্রেসের প্রার্থী ছিল ৯৮টি আসনে। মোট ৫৫টি আসনে লড়েছিল বাম শরিক ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি এবং সিপিআই। ১৫-১৬টি আসন এমন ছিল, যেখানে বন্ধুত্বপূর্ণ লড়াইয়ের নামে কংগ্রেস ও বাম শরিক, উভয়েরই প্রার্থী ছিল। ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে ৭৭টি আসনে জয়ী হয় বাম ও কংগ্রেস। ৩ বছরের মাথায়, ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে কংগ্রেস আর বামেদের মধ্যে আসন সমঝোতা শেষ মুহূর্তে ভেস্তে যায়। কংগ্রেস ২টি আসনে জয়ী হলেও বামেরা একটিও আসন জিততে পারেনি। দু’পক্ষেরই প্রাপ্ত ভোট শতাংশ নেমে আসে ২ অঙ্কের নীচে। এক পক্ষ ৪০ বছরের বেশি সময় রাজ্যের ক্ষমতায় নেই। আরেক পক্ষ ১০ বছর ধরে ক্রমাগত রক্তক্ষরণে জর্জরিত। পর্যবেক্ষক মহলের একাংশের মতে, একুশের বিধানসভা নির্বাচন বাম ও কংগ্রেসের কাছে কার্যত অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। তাই তৃণমূলের দাপট ও বিজেপির রমরমার মধ্যে একের বিরুদ্ধে এক ফর্মুলায় লড়াইয়ের ব্যাপারে দু’পক্ষই একমত।

ডলারের বিকল্প পথে কি BRICS? ডিজিটাল মুদ্রা সংযোগের প্রস্তাব দিল RBI

প্রোটোকল ভেঙে ‘বিশেষ বন্ধুত্বের’ বার্তা: বিমানবন্দরে ইউএই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে নিজে হাজির মোদি

“শারীরিক মিলনের আগে এই ৩ ভুল একেবারেই নয়”

আর্মেনিয়ার পথে ভারতের পিনাকা, প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে নতুন মাইলফক

কাঁচরাপাড়া দিনবসু লেনের মুখে গভীর রাতে বাইক দুর্ঘটনা, গুরুতর জখম যুবক

মাসিক হওয়ার কতদিন পর সহবাস করলে বাচ্চা হতে পারে?

ছয় দশক পরে বড় কৌশলগত সাফল্য! পূর্ব লাদাখে হারানো জমিতে ফের টহলাধিকার পেল ভারত

Ajit Doval: ‘আমাদের মন্দির লুট হয়েছিল, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিশোধ নিতে হবে’—বার্তা ডোভালের

তেহরানের রাস্তায় লাখো মানুষের ঢল, বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ইন্টারনেট

যুদ্ধের সংজ্ঞা বদলাচ্ছে: মাল্টি-ডোমেইন অপারেশনের পথে ভারতীয় সেনার স্পেশাল ফোর্স