

করোনা (Coronavirus) তৃতীয় ঢেউ (Thurd wave) সারা দেশে সুনামির আকার নিয়েছে। যতদিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে সংক্রমনের হার। এদিন সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্যে সারা দেশে সক্রিয় (positive) আক্রান্ত বৃদ্ধি পেয়েছে ১,১৮,৪৪২। রাজ্যের হিসেবে আক্রান্তের নিরিখে সবার আগে রয়েছে মহারাষ্ট্র (Maharashtra), আর শহরের নিরিখে সবার আগে রয়েছে কলকাতা (kolkata)।
আরো পড়ুন- করোনা আক্রান্তদের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেবে রাজ্য, সোমবার থেকে শুরু ‘হোম ডেলিভারি’
আক্রান্তের নিরিখে সারা দেশে মহারাষ্ট্র প্রথম স্থানে রয়েছে। মহারাষ্ট্রে এই মুহূর্তে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,৭৬, ৯৪৮ জন। ২৪ ঘন্টায় সেখানে এই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ৩১৭৫০ জন। এখনও পর্যন্ত সেখানে সুস্থ হয়েছেন ৬৫,৫৭, ০৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ১, ৪১, ৬২৭ জনের। ২৪ ঘন্টায় সেখানে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের।
আক্রান্তের নিরিখে সারা দেশের মধ্যে বাংলা দ্বিতীয়। শনিবার দেওয়া স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬২০৫৫ জন। ২৪ ঘন্টায় সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ১০৬৭১। পজিটিভিটি রেট ২৯.৬০%। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৬, ৪৮, ৮২১ জন। ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮১১২ জন। এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা ১৯৮৮৩। ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ১৯ জনের।
আক্রান্তের নিরিখে সারা দেশে তৃতীয় দিল্লি । দিল্লিতে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪৮, ১৭৮। ২৪ ঘন্টায় তালিকায় বৃদ্ধি হয়েছে ৮৩০৫। সেখানে সুস্থ হয়েছে ১৪, ৫৩, ৬৫৮। ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ১১৮৬৯। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ২৩১৪৩ জনের। ২৪ ঘন্টায় সেখানে মৃতের সংখ্যা সাত।
আক্রান্তের নিরিখে সারা দেশে চতুর্থ তামিলনাড়ু । সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৪০২৬০। ২৪ ঘন্টায় সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে ৯৪৪৩। এখনও পর্যন্ত সেখানে সুস্থ হয়েছেন ২৭, ১০,২৮৮ জন। ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৫২৫ জন। সেখানে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৩৬, ৮৪৩ জনের। ২৪ ঘন্টায় সেখানে মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের।
আক্রান্তের নিরিখে সারা দেশে পঞ্চম কর্ণাটক । সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা ৩৮৫৩৬। ২৪ ঘন্টায় সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি ৮৩৯৪। সেখানে সুস্থ হয়েছেন ২৯, ৬৩, ০৫৬। ২৪ ঘন্টায় সেখানে সুস্থ হয়েছেন ৫০৮ জন। করোনায় সেখানে মৃতের সংখ্যা ৩৮,৩৬৬। ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের।
দেশের বড় শহরগুলির মধ্যে কলকাতাতেই সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। জেলা হিসেবে অবশ্য লাহুল স্ফীতি সবার আগে। সেখানে সক্রিয় আক্রান্ত ৬১.১১%। কলকাতায় সক্রিয়তার হার ৫৭.৯৮%। জেলাগুলির মধ্যে এরপরেই রয়েছে হাওড়া, সেখানে সক্রিয়তার হার ৪৬.৪৪%।
এদিকে কলকাতার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন শহরের চিকিৎসকরা। তাঁদের মতে কলকাতায় সম্প্রতি শেষ হওয়া পুরভোট সেই সঙ্গে বড়দিন, বর্ষবরণের লাগামছাড়া ভিড়-ই সংক্রমণ বাড়ার জন্য দায়ী। অ্যাসোসিয়েশন অফ হেলথ সার্ভিসের সাধারণ সম্পাদক মানস গুমটা জানিয়েছেন, “সরকার যেভাবে করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও মেলা খেলা নিয়ে ব্যস্ত তাতে খুব তাড়াতাড়ি আমরা ১ লক্ষের বেশি দৈনিক সংক্রমণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাব,সেই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এত সংক্রমণের সব দায় প্রশাসন এড়িয়ে যেতে পারেনা। ডাক্তার স্বাস্থ্য কর্মী নার্স গোটা হাসপাতাল সংক্রমিত হচ্ছে। চিকিৎসা পরিষেবাই এবার চালু রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে”।

ডলারের বিকল্প পথে কি BRICS? ডিজিটাল মুদ্রা সংযোগের প্রস্তাব দিল RBI

প্রোটোকল ভেঙে ‘বিশেষ বন্ধুত্বের’ বার্তা: বিমানবন্দরে ইউএই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানাতে নিজে হাজির মোদি

“শারীরিক মিলনের আগে এই ৩ ভুল একেবারেই নয়”

আর্মেনিয়ার পথে ভারতের পিনাকা, প্রতিরক্ষা রপ্তানিতে নতুন মাইলফক

কাঁচরাপাড়া দিনবসু লেনের মুখে গভীর রাতে বাইক দুর্ঘটনা, গুরুতর জখম যুবক

মাসিক হওয়ার কতদিন পর সহবাস করলে বাচ্চা হতে পারে?

ছয় দশক পরে বড় কৌশলগত সাফল্য! পূর্ব লাদাখে হারানো জমিতে ফের টহলাধিকার পেল ভারত

Ajit Doval: ‘আমাদের মন্দির লুট হয়েছিল, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিশোধ নিতে হবে’—বার্তা ডোভালের

তেহরানের রাস্তায় লাখো মানুষের ঢল, বিক্ষোভের জেরে বন্ধ ইন্টারনেট

যুদ্ধের সংজ্ঞা বদলাচ্ছে: মাল্টি-ডোমেইন অপারেশনের পথে ভারতীয় সেনার স্পেশাল ফোর্স