কাঁচরাপাড়ার পর এবার হালিশহরেও রাজনৈতিক অস্থিরতার বড় ছবি সামনে এল। একযোগে ১৬ জন কাউন্সিলরের গণইস্তফায় কার্যত চাপে পড়ল শাসক শিবির। বুধবার ব্যারাকপুর প্রশাসনিক ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে এই ইস্তফার কথা প্রকাশ্যে আনেন বীজপুরের বিধায়ক সুদীপ্ত দাস। পদত্যাগীদের মধ্যে রয়েছেন পাঁচজন মহিলা কাউন্সিলরও। তবে এই গণইস্তফায় সামিল হননি হালিশহর পৌরসভার পৌরপ্রধান শুভঙ্কর ঘোষ।
কাঁচরাপাড়ার পর হালিশহর পৌরসভাতেও এমন বড়সড় ভাঙনের ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। হঠাৎ করে এতজন কাউন্সিলরের পদত্যাগে প্রশাসনিক অন্দরে যেমন চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে, তেমনই বিরোধীদের তরফে উঠতে শুরু করেছে একাধিক প্রশ্ন। যদিও বিধায়ক সুদীপ্ত দাস দাবি করেছেন, এই ইস্তফার প্রভাব সাধারণ মানুষের পরিষেবায় পড়বে না। তাঁর কথায়, পৌরসভার সমস্ত পরিষেবা আগের মতোই স্বাভাবিকভাবে চলবে।
তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল। দীর্ঘদিনের সেই ক্ষোভই এবার প্রকাশ্যে বিস্ফোরিত হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কাঁচরাপাড়ার পর হালিশহরেও গণইস্তফার ঘটনায় জেলার রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজ্য রাজনীতির।